নতুন উদ্যমে-উচ্ছ্বাসে দেশালের নতুন যাত্রা 

আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৩:৫২

প্রায় দুই দশক ধরে দেশের ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল জগতের সঙ্গে শিল্পী ও শিল্পের যোগসূত্রের মাধ্যম হয়ে এগিয়ে চলেছে দেশাল। দেশালের একেকটি ডিজাইন, পোশাক ও পণ্য যেন একেকটি ভ্রাম্যমাণ শিল্পকর্ম। 

একজন শিল্পীর সৃষ্টিকে এক্সিবিশনের দেয়াল থেকে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশে পরিণত করার এই প্রচেষ্টা দেশালকে নিয়ে গিয়েছে ভিন্ন এক উচ্চতায়। এই প্রচেষ্টাকেই আরও খানিকটা এগিয়ে নিতে দেশাল হাজির হচ্ছে তার প্রথম ফ্ল্যাগশিপ স্টোর নিয়ে।গতকাল (১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বনানীতে ফ্ল্যাগশিপ স্টোরটি উদ্বোধন করা হয়। এর মাধ্যমে দেশাল  ক্রেতাদের আরও কাছাকাছি পৌঁছাতে চায়।

শিল্পীর সৃষ্টিকে এক্সিবিশনের দেয়াল থেকে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশে পরিণত করাই দেশালের প্রচেষ্টা

ইশরাত জাহান, সবুজ সিদ্দিকী ও কনক আদিত্য—তিন বন্ধুর হাত ধরে ২০০৫ সালের ১০ এপ্রিল যাত্রা শুরু করে দেশাল। শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটে একমাত্র আউটলেট দিয়ে শুরু করা দেশাল আজ ছড়িয়ে পড়েছে রাজধানী ঢাকার বাইরে সিলেট ও চট্টগ্রামেও। বনানীর নতুন ফ্ল্যাগশিপ স্টোরসহ মোট ৬টি আউটলেট এবং অনলাইন স্টোর রয়েছে দেশালের। দীর্ঘ এই চলার পথে যুক্ত হয়েছেন নতুন আরও কিছু বন্ধু, যাদের উপস্থিতি দেশালে যুক্ত করেছে নতুন প্রাণ, নতুন উদ্যম। 

একদম প্রথম থেকেই ডিজাইন ও সুতার বুননে দেশাল তুলে ধরতে চেয়েছে স্থানীয় ও আদি সংস্কৃতিকে

একদম প্রথম থেকেই ডিজাইন ও সুতার বুননে দেশাল তুলে ধরতে চেয়েছে স্থানীয় ও আদি সংস্কৃতিকে। বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের সংস্কৃতি, শিল্প ও তাদের সাহিত্য দেশালের প্রেরণা হয়ে কাজ করেছে। পোশাক, গহনা ও ঘরসজ্জার নানা পণ্য তৈরিতে দেশাল প্রাধান্য দিয়েছে হাতের তাঁত, হাতের কাজ এবং নির্মাতার শিল্পীসত্তাকে। এবার এগুলোর সাথেই আধুনিকতার মিশ্রণ ঘটাতে আরও বিশ্বমানের বিচিত্র ফ্যাব্রিক, পাওয়ার লুমের ব্যবহার এবং সাম্প্রতিক ডিজাইন নিয়ে হাজির হচ্ছে দেশাল।

বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের সংস্কৃতি, শিল্প ও তাদের সাহিত্য দেশালের প্রেরণা হয়ে কাজ করেছে

২০২৩ সালের মধ্যে দেশজুড়ে দ্বিগুন সংখ্যক আউটলেট নিয়ে ক্রেতাদের একদম দোরগোড়ায় পৌঁছাতে চায় দেশাল। অনলাইন কেনাকাটাকেও দেশাল নিতে চায় ভিন্ন উচ্চতায়।

 

 

ইত্তেফাক/আরএম