রাজধানীর ধানমন্ডিতে চিত্রনায়ক রিয়াজের শ্বশুর মোহাম্মদ আবু মোহসিন খান (৫৮) ফেসবুকে এসে নিজের মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেছেন। বুধবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯ টার পর তার নিজ বাসায় এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে।
লাইভের ১৬ মিনিট ১৫ সেকেন্ডের মাথায় তিনি আত্মহত্যা করেন। এ সময় তিনি নিজের লাইসেন্স করা বন্দুক মাথায় ঠেকিয়ে গুলি করেন। পরে পুলিশ গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে। তার আত্মহত্যা করার পরও লাইভ চলছিল। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে এই লাইভ চলমান থাকে।
মহসিন চেয়ারে বসে ফেসবুক লাইভে কথা বলেন। তার সামনে টেবিল ছিল। ওই টেবিলে কাফনের কাপড় ছিল। এর ওপর একটি চিরকুট ছিল; তাতে লেখা আছে, এখানে কাফনের কাপড় রাখা আছে। যা আমি ওমরা হজে ব্যবহার করেছিলাম।
পুলিশ বলছে, বুধবার রাত পৌনে ১০ টার দিকে নিজের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে আসেন নায়ক রিয়াজের শ্বশুর আবু মহসিন খান। লাইভে নিজের শারীরিক অবস্থা, পরিবার, স্বজন, ব্যবসাসহ নানা বিষয়ে কথা বলেন। লাইভের ১৫ মিনিটের মাথায় প্রথমে একটি ফাঁকা গুলি। পরে নিজের মাথার ডান পাশে গুলি করেন মহসিন খান। এরপর নিস্তেজ হয়ে পড়েন তিনি।
আত্মহত্যার আগে তিনি কাফনের কাপড় রেখে গেছেন। সুইসাইড নোটও রেখে যান তিনি।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. সাজ্জাদুর রহমান বলেন, প্রায় ৫ বছর ধরে আবু মহসিন খান একাই ছিলেন। বর্তমানেও ওই ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন। তার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নন বলে সুইসাইড নোটে লিখে গেছেন তিনি। যে পিস্তল দিয়ে তিনি নিজের মাথায় গুলি চালিয়েছেন, সেটি তার নামে লাইসেন্স করা। টেবিলের ওপর ওই পিস্তলের লাইসেন্স কপি রাখা ছিল।

‘সুইসাইড নোটে’ যা লিখেছিলেন নায়ক রিয়াজের শ্বশুর