রংপুরে সবজিতে স্বস্তি, বেড়েছে ডিমের দাম

আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১৭:২২

রংপুরে কয়েকদিনের তুলনায় মুরগি, আলু ও সবজির দাম কমেছে। বেড়েছে বিভিন্ন চাল ও ডিমের দাম। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে মাছের দাম। 

শুক্রবার রংপুর নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের তুলনায় প্রতি কেজি আলু ৬ থেকে ৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ১৫ থেকে ২০ টাকা কমে ব্রয়লার মুরগি ১৫৫-১৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কমেছে পাকিস্তানি মুরগির দাম। পাকিস্তানি মুরগি খুচরা বাজারে ১৩৫-১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহের তুলনায় গড়ে ১০ টাকা কম। দেশি মুরগি ৩৭০-৩৯০ টাকা এবং পাকিস্তানি লেয়ার আগের মতোই ২৪০-২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

রংপুর সিটি বাজারে মুরগি কিনতে আসা সাদেক আলী বলেন, মাংসের চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে ব্রয়লার মুরগি আমাদের একমাত্র ভরসা। কিন্তু সেই মুরগিও কম দামে মিলছে না। গত কয়েকদিন আগে ১৮০-১৯০ টাকা কেজি দরে কিনতে হয়েছে। এখন একটু দাম কমলেও তা যথেষ্ট নয়।

এদিকে সব ধরনের সবজির দাম কমেছে। কেজি প্রতি টমেটো ২৫-৩০ টাকা, গাজর ২৫ টাকা, মটরশুঁটি ৭৫ টাকা, মূলা ১০ টাকা, করলা ৪০-৪৫ টাকা, ধনিয়া ৪০ টাকা, চিকন বেগুন ২০ টাকা, গোল বেগুন ৩০-৩৫ টাকা, সিম ৩০-৩৫ টাকা, শসা ২৫ টাকা, পেঁপে ১২ টাকা ও কাঁচামরিচ ২৮-৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি পিস বাঁধাকপি ৮-১২ টাকা, লাউ ২০-২৫ ও কাঁচকলা হালি ১২-১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দেশি পেঁয়াজ ৩০ টাকা, আদা ৬০-৭০, রসুন ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে কার্ডিনাল আলু কেজি প্রতি ১০-১২ টাকা, গ্রানুলা ৭-১০ টাকা এবং শিল আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫-২৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

নগরীর মুলাটোল আমতলা বাজারের সবজি বিক্রেতা জাহাঙ্গীর ইসলাম বলেন, বাজারে সবজির আমদানি বাড়ায় গত ১৫-২০ দিন আগের তুলনায় কিছুটা দাম কমেছে। তবে শীতকালীন ভরা মৌসুমেও যে দামে সবজি বিক্রি করতে হচ্ছে তাতে ক্রেতা-বিক্রেতা কেউই সন্তুষ্ট না।

বেড়েছে ভোজ্য তেলের দাম। বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৬০ টাকা লিটার ও খোলা সয়াবিন ১৬৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খোলা চিনি ৮০ টাকা এবং প্যাকেট চিনি ৮৫ টাকা, আটা প্যাকেট ৪২ টাকা ও খোলা ৩৫ টাকা এবং ময়দা ৫৫ টাকা প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে।

ডিম গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে হালি প্রতি দুই টাকা বেড়ে এখন ৩৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বেড়েছে প্রায় সবধরনের চালের দাম। স্বর্ণা মোটা ৪৫-৪৬ টাকা, বিআর-২৯ ৫৫ টাকা, বি-২৮ ৫৮-৬০ টাকা, মিনিকেট ৬৫ টাকা এবং নাজির শাইল ৬৮-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ সপ্তাহে শিং মাছ (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ১৫০- ৩৫০ টাকা, প্রতি কেজি রুই মাছ (আকারভেদে) ২২০-২৫০ টাকা, দেশি মাগুর ৪৫০ টাকা, পাঙাশ ১২০-১৪০ টাকা, সরপুঁটি ১৫০-১৭০ টাকা, ইলিশ প্রতি কেজি (আকারভেদে) ৭৫০-১০০০ টাকা, বোয়াল ৪০০ থেকে ৭০০ টাকা, কাতলা ৫০-৩০০ টাকা, পাবদা  ২৭০-৪৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০ টাকা, সিলভার কাপ ১০০-১৩০ টাকা এবং দেশি কৈ ২৫০-৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

 

ইত্তেফাক/ইউবি