রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশে কক্সবাজারে পরিবেশ বিপর্যয়ের সাথে অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিপর্যয় বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মহিউদ্দিন। এ বিষয়ে গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে 'Determining the Impact of Forced Rohingya Migration in Tourism at Cox’s Bazar, Bangladesh' শীর্ষক সেমিনারে গবেষক মো. মহিউদ্দিন বলেন, কক্সবাজার বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র। এ অঞ্চলের অনেক মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে পর্যটন শিল্পের উপর নির্ভরশীল। ২০১৭ সালে মায়ানমার থেকে জোরপূর্ব অভিগমন হওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীরা আসার পর কারণে কক্সবাজার জেলার পর্যটন শিল্পের উপর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে পরিবেশগত ও আর্থ-সামাজিক প্রভাব অনেক বেশি। বন উজাড়, পানি দূষণ, বর্জ্য সমস্যা বাড়ছে। অর্থনৈতিকভাবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, পর্যটন শিল্পে স্থানীয়দের কর্মসংস্থান হারাচ্ছে। সামাজিকভাবে নিরাপত্তা সংকট, মাদক ব্যবসা, অপহরণ পর্যটন শিল্পের উপর হুমকি বাড়ছে।
এসময় বিভাগের অধ্যাপক ও মো. মহিউদ্দিনের পিএইচডি গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ড. মল্লিক আকরাম হোসেন বলেন, রোহিঙ্গাদের কারণে শুধু স্থানীয় পর্যায়ে পর্যটনের পরিবেশ বিপর্যয় এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিপর্যয় হচ্ছে এমন নয়, এটা সামগ্রিক রাষ্ট্রের জন্য ও ঝুঁকি।
সেমিনারে ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল কাদেরের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. মল্লিক আকরাম হোসেন, লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্সের ডিন অধ্যাপক ড. খন্দকার মনিরুজ্জামান, পরিসংখ্যান বিভাগের সিনিয়র অধ্যাপক মো. আশরাফ-উল-আলম, একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আতিকুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক আইরিন সুলতানা প্রমুখ।
