ইরান জানিয়েছে, ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত আলোচনার সম্ভাব্য ফলাফল নির্ভর করছে পশ্চিমা দেশগুলোর রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর। নিজেদের অর্থনৈতিক প্রস্তাব হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানি কতৃর্পক্ষ। ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করতে ভিয়েনায় ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসে বিশ্ব শক্তিগুলো। খবর আলজাজিরার।
গত সোমবার তেহরানে আইরিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিমোন কোভেনের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আব্দুলাহিয়ান বলেন, ‘ভিয়েনায় চুক্তি হলে এবং আগামীকালের পরিবর্তে আজ নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে ইরানের জন্য আরও ভালো হয়।’
ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সেই কারণে একটি ভালো চুক্তির জন্য আমরা তাড়াহুড়া করছি; কিন্তু এটি অবশ্যই যৌক্তিক আলোচনার কাঠামোর মধ্যে এবং ইরানি জাতির অধিকারের জন্য হতে হবে।’ এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় স্বাক্ষরকারী দেশগুলোকে চুক্তির ‘লেখা এবং সময় নিয়ে খেলা বন্ধ’ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে সোমবার ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের সেক্রেটারি আলি শামখানি এক টুইট বার্তায় বলেন, অস্ট্রিয়ার রাজধানীতে চলা আলোচনা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখান থেকে একটি ঘোষণা আসতে পারে। তবে তা যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের ওপর নির্ভর করছে বলে জানান তিনি। শামখানি জানান, তিনি রবিবার ইরানের মুখ্য আলোচক আলি বাগেরি কানির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন।
