কুষ্টিয়ায় কেটে ফেলা হয়েছে পাঁচ শতাধিক গাছ

আপডেট : ২৬ এপ্রিল ২০১৯, ২১:২৯

গাছের গুঁড়ি উদ্ধার, মামলা দায়ের

মিরপুর (কুষ্টিয়া) সংবাদদাতা

কোনো অনুমতি বা টেন্ডার ছাড়া মিরপুর উপজেলার চারমাইল থেকে মশান পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গা থেকে ১৫ বছরের পুরনো শিশু, মেহেগনি, কড়ই ও নিমগাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাঁচ শতাধিক বড় বড় গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এলাকার তাঁতিবন্দ মসজিদ ও মাদ্রাসার উন্নয়নের কথা বলে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশ থেকে সরকারি দপ্তরের গাছ হলেও গত কয়েকদিন ধরে এসব গাছ কেটে বিক্রি করে দিয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালী একটি চক্র।

এই ঘটনায় পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সওজ’র পক্ষ থেকে মিরপুর থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।

স্থানীয় তাঁতিবন্দ মসজিদ ও মাদ্রাসার সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন এই গাছ নিজেদের দাবি করে বলেন, ভরাট হয়ে যাওয়া জিকের খাল পুনরুদ্ধার প্রকল্পের খনন কাজ শুরু হওয়ায় ঠিকাদারের লোকজন গাছগুলো কেটে নিয়ে যাচ্ছিল। তাই কাউকে কিছু না জানিয়ে তড়িঘড়ি করে তারা গাছগুলো কেটে নিয়েছেন।

আর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পীযুষ কৃষ্ণ কুন্ডু বলছেন, তারা কাউকে গাছ কাটার বিষয়ে কোনো আদেশ দেননি আর কোনো প্রতিষ্ঠানকে লিজও দেওয়া হয়নি। তাই গাছ কাটার বিষয়ে অজ্ঞাতদের নামে কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে মিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম জানান, ঘটনাস্থল থেকে কেটে নেওয়া ২৪টি গাছের গুঁড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।