বিজেপির ফল নিয়ে বিভক্ত জুয়ার বাজারও

আপডেট : ২৬ এপ্রিল ২০১৯, ২২:৩৩

ভারতের সাট্টা বা জুয়ার বাজারে এখন লোকসভা নির্বাচনের উত্তাপ। এবারের নির্বাচনে কেমন ফল করবে বিজেপি? সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পাবে কী-না তা নিয়ে বিভক্ত সাট্টা বাজারগুলো। রাজস্থানের সাট্টা বাজারের ধারণা- সহজেই জিতবে বিজেপি। তবে এ ব্যাপারে মধ্য প্রদেশের সাট্টা বাজারে কিছু সন্দেহ রয়েছে।

বিখ্যাত জুয়ার বাজার রাজস্থানের ছোট্ট শহর ফালোদি লোকসভা নির্বাচনকে ঘিরে এখন সরব। এই জুয়ার বাজারের বিশ্বাস বিজেপি ২৫০ আসনে জয় পেতে চলেছে। নাম-পরিচয় না প্রকাশের শর্তে এক বুকি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, নির্বাচনের মৌসুমে জুয়াড়িদের পছন্দ বিজেপি। দলটি এবারের নির্বাচনে এককভাবে ২৪৬ থেকে ২৫০ আসনে জয় পেতে পারে। জোটের শরিকরা পেতে পারে ৫৫টি। সব মিলিয়ে নিশ্চিতভাবে ৩০০ এর বেশি আসনে জিতবে বিজেপি জোট। আর রাজস্থানে বিজেপি ১৮টির    মতো আসন পেতে পারে। কংগ্রেস এই নির্বাচনে ৭৬ থেকে ৭৯টি আসন পেতে পারে বলে ওই বুকি মনে করেন। অতীতে অনেক বিষয়ে সঠিক পূর্বাভাস দেওয়ায় রাজস্থানের সাট্টা বাজার আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। সাট্টা বাজারের ট্রেন্ড বলছে, পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার পরপরই পাকিস্তানের বালাকোটে বিমান হামলায় বিজেপির ভোট আরো বাড়বে। এবারের নির্বাচনে বিজেপি কয়টি আসন পাবে এই সংখ্যার ওপরই ধরা হয় বাজি। এক্ষেত্রে জুয়াড়িরা বিভিন্ন রাজ্যের তথ্য সংগ্রহ করে এবং ট্রেন্ড দেখার চেষ্টা করে। এই সাট্টা বাজারের নেটওয়ার্কও অনেক শক্তিশালী।

রাজস্থানের সাট্টা বাজারে বিজেপির জোয়ার দেখা গেলেও এক্ষেত্রে সন্দিহান মধ্য প্রদেশের সাট্টা বাজার। বিভিন্ন সময় ইন্দোরের সাট্টা বাজারের পূর্বাভাস সত্যি হয়েছে। এখানকার অভিমত বিজেপি ২০০ থেকে ২৩৫টি আসন পেতে পারে। আর মধ্য প্রদেশে প্রায় সমান আসন পেতে পারে বিজেপি এবং কংগ্রেস।

বারানসিতে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি

উত্তর প্রদেশের বারানসি আসনে মনোয়নপত্র জমা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গতকাল মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে কালভৈরব মন্দিরের জনসভায় কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশ্যে মোদি বলেন, সারা দেশে প্রথমবারের ক্ষমতাসীনদের জোয়ার বইছে। অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে বিজেপিকে ভোট দিন।

মোদির মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বারানসি গতকাল ‘হাই-প্রোফাইল’ রাজনৈতিক নেতাদের মিলনকেন্দ্রে পরিণত হয়। উপস্থিত ছিলেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ, জনতা দল (ইউনাইটেড) নেতা এবং বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, লোক জনশক্তি পার্টির নেতা রামবিলাস পাসওয়ান এবং শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে-সহ আরও অনেকে। শরিক দলের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাত্কালে আকালি দলের নেতা প্রকাশ সিং বাদলের পা ছুঁয়ে আশির্বাদ নেন নরেন্দ্র মোদি। এই মুহূর্তের একটি ছবি প্রকাশের পর তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুঁড়িয়েছে। এদিকে বিরোধীদের সমালোচনার জবাবে নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, আমি অন্যায় কিছু করলে আয়কর বিভাগের কর্মকর্তারা আমার বাসভবনেও অভিযান চালাতে পারে। সম্প্রতি বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের বাড়িতে আয়কর বিভাগের অভিযানের সমালোচনা করে কংগ্রেস নেতারা বলেছেন, দেশের আইনে সকলের জন্য সমান।