রাজধানীর গুলিস্তানস্থ ফুলবাড়িয়া মার্কেটের অবৈধ ও প্রহসনের নির্বাচন বন্ধ করতে শ্রম ভবনে মানববন্ধন করেছে ফুলবাড়িয়া মার্কেট ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতাকর্মী।
মঙ্গলবার (১ মার্চ) দুপুরে পল্টন এলাকায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের শ্রম অধিদপ্তর এ কর্মসূচি পালন করে ফুলবাড়িয়া মার্কেটের ব্যবসায়ীগণ।
মানববন্ধন আসা ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে অবৈধভাবে ফুলবাড়িয়া মার্কেটের ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে নির্বাচন কমিশনার তার মন মতো নির্বাচন করতে যাচ্ছে। এজন্য এই মার্কেটের ৩৫ বছরের পুরনো ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে নতুন ভোটার সৃষ্টি করার চেষ্টা চলছে। যা ফুলবাড়িয়া মার্কেট ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নীতিমালায় নেই।
ফুলবাড়িয়া মার্কেটের ৩২ বছরের পুরনো ব্যবসায়ী মনির হোসেন সরকার বলেন, আমি ফুলবাড়িয়া মার্কেটের ৩২ বছর ধরে ব্যবসা করি। আমি আগের কমিটিতে ফুলবাড়িয়া মার্কেট মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। আমি আওয়ামী লীগ করি এবং দলের পক্ষে ব্যানার পোস্টার করেছি এজন্য কিছু লোক ব্যবসায়ী মালিক সমিতির থেকে বাদ দিতে যাচ্ছে। পরিকল্পিতভাবে আমাদের ভোটাধিকার থেকে সরানোর জন্য নতুন করে ভোটার তালিকা করছে যা সম্পূর্ণভাবে বেআইনি। মার্কেটের ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে প্রতিমাসে লাখ লাখ টাকা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নেওয়া হচ্ছে। আমাদের একটাই দাবি নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা হোক। পুরনো ভোটারকে বাদ দিয়ে নতুন ভোটার তৈরি করেছে যা ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নীতিমালা নেই। এই বিষয় নিয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান অধিদপ্তর বরাবর ১০ বার আবেদন দিলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। তাই আমরা আজ শ্রম ভবন ঘেরাও মানববন্ধন কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছি।
তিনি বলেন, আমাদের দাবি একটায় ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হোক। বর্তমান নির্বাচন কমিশনের পদ থেকে বাদ দিয়ে নতুন কমিশনার নিয়োগ দিয়ে নির্বাচন করা হোক। শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খালেদ মাহমুদ চৌধুরী কাছেও আমরা এই বিষয়ে অভিযোগ দিয়েছি। তিনি আমাদের আশস্ত করেছেন সকল ব্যবসায়ীদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিয়ে সঠিক, সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত করবেন। তিনি একজন সৎ ও ভদ্রলোক, তাই আমরা তার কথায় আমাদের কর্মসূচির স্থগিত করেছি।
