ফুটবল মাঠের রেফারি যদি ভালোভাবে খেলা পরিচালনা করেন তাহলে তাকে কেউ ধন্যবাদ দেওয়ারও প্রয়োজন মনে করেন না। আর যদি খেলায় একটু ভুল হয়, তখন তার পরিবারও গালমন্দ হতে বাঁচার সুযোগ পান না। তবু রেফারিরা দেশের ফুটবলে বাঁশি বাজিয়ে যান।
কিন্তু বাফুফে সেভাবে রেফারিদের সম্মান দিতে পারছে কি না সেই প্রশ্ন বার বার উঠে আসছে। শত গালি হজম করেও পরবর্তী ম্যাচে বাঁশি হাতে নামতে হয় রেফারিদের। জিতলে দল ভালো খেলেছে আর হেরে গেলে রেফারির দোষ। অথচ এই রেফারিরা কত টাকা-ই বা পারিশ্রমিক পান। এখন যারা বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের খেলা পরিচালনা করেন তারা ২ হাজার ৪০০ এবং সহকারী রেফারি পান ২ হাজার ২০০ টাকা, প্রতি ম্যাচে। তারপরও জমতে জমতে বকেয়া পড়ে থাকে বাফুফের টেবিলে। অনিশ্চিত জীবন চান না রেফারিরা। বাধ্য হয়ে এবার আন্দোলনে যাচ্ছিলেন। খেলা পরিচালনা করবেন না বলে জানিয়েও দিয়েছিলেন।
মঙ্গলবার (৮ মার্চ) স্বাধীনতা কাপের কিছু চেক দিয়েছে বাফুফে। আর আন্দোলনের কারণে বাংলাদেশ ফুটবল রেফারিজ অ্যাসোসিয়েশন সভায় বসেছিল। অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বীর বাহাদুর এমপি। তিনি রেফারিদের সঙ্গে বৈঠক করে সমস্যা দূর করতে উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রথম কথা হচ্ছে আন্দোলনে যাচ্ছেন না রেফারিরা। পারিশ্রমিক বাড়াতে বীর বাহাদুর এমপি বাফুফের সঙ্গে কথা বলবেন। আর রেফারিরা অবসর নিলে তিনি কোনো সুযোগ-সুবিধাও পান না। অবসর নেওয়ার পর বাফুফে হতে যেন এককালীন সম্মানী দেওয়া হয়, সেটি নিয়েও কথা বলবেন বাফুফের সঙ্গে। রেফারিদের ৯ দফা দাবি নিয়ে বাফুফের সঙ্গে আলোচনা হবে এবং লিগের খেলাও চলবে।
