সত্যজিত্ বিশ্বাস
মনের মতো কখনো হয়!
প্রথম বন্ধু :আমি বিয়ে করতে চাই।
দ্বিতীয় বন্ধু :তো, সমস্যা কী? বিয়ে করে ফেল।
প্রথম বন্ধু :কিন্তু মনের মতো মেয়ে পাচ্ছি না যে।
দ্বিতীয় বন্ধু :আরে ধুর, তাই কী কখনো পাওয়া যায়? বিয়ে করে ফেল, সব ঠিক হয়ে যাবে।
প্রথম বন্ধু :তার মানে?
দ্বিতীয় বন্ধু :আমিও তো বিয়ে করেছি। আমাকে কখনো আক্ষেপ করতে দেখেছিস? বিয়ের পর তোরও থাকবে না।
আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি
বাবা :পরীক্ষা কেমন হচ্ছে রে?
ছেলে :আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি বাবা।
বাবা :সে কেমন?
ছেলে :পরীক্ষার হলে পুরো তিন ঘণ্টাই বসে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
তাজা, পুষ্টিকর, ভেজালমুক্ত ফল কোথায় পাওয়া যায়?
ডাক্তার :বাচ্চাকে সুস্থ সবল রাখতে হলে সব সময় তাজা, পুষ্টিকর, ভেজালমুক্ত ফল খাওয়াবেন।
বাচ্চার মা :দয়া করে সেই রকম কয়েকটা ফলের নাম আর কোথায় পাওয়া যায়, বলবেন?
মন্দা ভাব কাটাতে
জ্যোতিষী :তোর রূপ, তোর কথা বলার ধরনের জন্য খুব তাড়াতাড়ি কোনো সিনেমা পরিচালকের চোখে পড়ে যাবি। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তুই সিনে তারকা হয়ে যাবি।
যুবতী :একই কথা তো আপনি আমার বান্ধবীকেও বলেছেন গতকাল।
জ্যোতিষী :কী করব বল! আমার পসার আর সিনেমা শিল্প দুটোরই যে মন্দা যাচ্ছে এসব বলে যদি কাজ হয়।
প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার কারণ
একটা পার্টিতে একজন অভিনেত্রী একজন সাংবাদিককে অন্য একজন ভদ্রলোককে দেখিয়ে বললেন, উনি হলেন প্রযোজক। আমি ওকে লাখপতি বানিয়ে ছেড়েছি।
সাংবাদিক :বাহ্, তাই নাকি?
অভিনেত্রী :হুম, অবশ্য তার আগে উনি কোটিপতি ছিলেন।
সাংবাদিক :ও আচ্ছা এবার বুঝেছি, এত এত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কেন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
সারা জীবনের মনে রাখব
প্রথম বন্ধু :বন্ধু, প্লিজ তোর খাতাটা একটু দেখা।
দ্বিতীয় বন্ধু :আমার লেখা শেষ করেই তোকে দেখাচ্ছি।
প্রথম বন্ধু :আর মাত্র পাঁচ মিনিট আছে পরীক্ষা শেষ হওয়ার। প্লিজ একটু দেখা। সারাজীবন তোর কথা মনে রাখব।
দ্বিতীয় বন্ধু :আমিও তোর কথা সারা জীবন মনে রাখব রে। এইচএসসি ইংরেজি পরীক্ষায় তুই দেখতে চেয়েছিলি, সময়ের অভাবে আমি দেখাতে পারিনি, এ দুঃখ আমি সারা জীবন ভুলব না।
জবর খবর
পানির ফিল্টার কোম্পানির ম্যানেজার :স্যার, এখন তো পথে বসে গেলাম।
মালিক :কেন? অফিসে চেয়ার নেই?
ম্যানেজার :শুধু কী আমি? আপনিও তো পথে বসে গেলেন। এখন কী হবে স্যার?
মালিক :কী যে বলছ, কিছুই বুঝতে পারছি না। খুলে বলবে তো।
ম্যানেজার :স্যার, আমাদের ব্যবসা তো এখন গুটাতে হবে।
মালিক :কেন, ব্যবসা গুটাতে হবে কেন? কী সব বলছ পাগলের মতো?
ম্যানেজার :স্যার, আমি পাগলের মতো বলছি নাকি ঢাকা ওয়াসার এমডি বলছেন?
মালিক :তার মানে?
ম্যানেজার :ঢাকা ওয়াসার এমডি বলেছেন, ‘ঢাকা ওয়াসার পানি শতভাগ সুপেয়।’
আনলাকি ১৩
প্রথম বন্ধু :দোস্ত, ওই যে মোহাম্মদপুর যাওয়ার ১৩ নাম্বার বাস এসেছে। তাড়াতাড়ি ওঠ।
দ্বিতীয় বন্ধু :মাথা খারাপ? আমি তেরো নাম্বার বাসে যাব?
প্রথম বন্ধু :কেন?
দ্বিতীয় বন্ধু :তুই জানিস না, এরা রাস্তাঘাটে কেমন বেপরোয়াভাবে বাস চালায়? যেকোনো সময় ওরা অ্যাক্সিডেন্ট করতে পারে।
প্রথম বন্ধু :আরে ধুর, ওঠো তো। ঢাকার রাস্তায় চলতে গেলে এত কুসংস্কার নিয়ে ভাবার সময় আছে?
এটা তো রুটিন ওয়ার্ক
প্রথম বন্ধু :শুনছিস, মেজাজ গরম করা খবরটা?
দ্বিতীয় বন্ধু :কী খবর?
প্রথম বন্ধু :রোজা শুরুর আগেই বাজার ঊর্ধ্বমুখী।
দ্বিতীয় বন্ধু :এটা তো রুটিন ওয়ার্ক। এবার, মেজাজ গরম করা খবরটা কী, তা-ই বল?
রোজা আসছে বোঝার উপায় কী?
প্রথম বন্ধু :বল তো, ক্যালেন্ডারের দিকে না তাকিয়ে রোজা আসছে বোঝার উপায় কী?
দ্বিতীয় বন্ধু :এ তো খুবই সহজ। বাজারে ঢুকলেই তো বোঝা যায়।
টেক ইট ইজি
প্রথম ছাত্র :এটা কোনো কথা হলো, পর্নতারকার নাম কেউ প্রশ্নপত্রে দেয়?
দ্বিতীয় ছাত্র :টেক ইট ইজি। আর কোনো তারকার সিনেমা হয়তো উনি দেখেনি, তাই...
একঘেয়েমি কাটাতে
জাতির প্রশ্ন :কী ব্যাপার, এত তারকা থাকতে প্রশ্নপত্রে পর্নতারকার নাম দিল কেন?
সবজান্তার উত্তর :প্রশ্নপত্রের একঘেয়েমি কাটাতে।
এ কেমন জাতের সাপ?
প্রথম বন্ধু :এই শুনেছিস, একটা ঘটনা?
দ্বিতীয় বন্ধু :কী ঘটনা?
প্রথম বন্ধু :সাপের ভয়ে বাসায় বসে অফিস করছেন লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট।
দ্বিতীয় বন্ধু :বলিস কী, এ কেমন জাতের সাপ, জাতির প্রেসিডেন্ট চেনে না?
পরীক্ষাই যদি না থাকে
প্রথম গার্জিয়ান :ভাবি, শুনেছেন একটা খবর? তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত নাকি পরীক্ষা থাকবে না।
দ্বিতীয় গার্জিয়ান :বলেন কী? আমি আরো ভাবছিলাম, আমার ছেলেটাকে আগামী বছর স্কুলে ভর্তি করে দেব।
প্রথম গার্জিয়ান :করাবেন, সমস্যা কী?
দ্বিতীয় গার্জিয়ান :কী যে বলেন ভাবি? এখন আর ভর্তি করে শুধু শুধু টাকা নষ্ট করব কেন?
প্রথম গার্জিয়ান :শুধু শুধু মানে?
দ্বিতীয় গার্জিয়ান :আপনি না বললেন, পরীক্ষা হবে না। পরীক্ষা না হলে কী আর কোনো পড়াশোনা হবে? আর পড়াশোনাই যদি না হয়, শুধু শুধু স্কুলে ভর্তি করে টাকা নষ্ট করব কেন? চার বছর পরে একবারেই ফোরে ভর্তি করি।
