শীতের উপাদেয় খাবার কুমড়ার বড়ি। পাবনার চাটমোহর উপজেলার অনেক দরিদ্র পরিবার এখন কুমড়া বড়ির ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করছে। এখানে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত হচ্ছে কুমড়া বড়ি। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তো বটেই, বিদেশেও যাচ্ছে চাটমোহরের তৈরি সুস্বাদু কুমড়া বড়ি। এক সময় গৃহস্থের বাড়িতে নিজেদের খাবার জন্য তৈরি হতো এই বড়ি। গৃহস্থের বাড়ির আঙিনা ছেড়ে এখন তা ব্যবসায়িক পণ্যে পরিণত হয়েছে। চাটমোহর উপজেলার দোলং, বোথর, মথুরাপুর, বালুচর, রামনগরসহ বিভিন্ন গ্রামের ২ শতাধিক পরিবার কুমড়া বড়ি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের সাথে জড়িত। এই পরিবারগুলো শীত মৌসুমের পুরোটাই কুমড়া বড়ি উৎপাদন ও বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। বাড়ির মহিলারাই মূলত বড়ি তৈরি করে থাকেন। পুরুষরা বাজারজাত করে থাকেন। দোলং গ্রামের সুদীপ দাস, মাযারাণীসহ অন্যরা জানান, কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত কুমড়া বড়ির ভালো ব্যবসা চলে। বলা চলে এটা মৌসুমী ব্যবসা। চাল কুমড়া আর ডাল দিয়ে তৈরি এই বড়ির সাথে সম্পর্ক মিঠা পানির রকমারি মাছের। শীতে মাছের তরকারিতে কুমড়া বড়ি থাকবে না তা গ্রামের মানুষ ভাবতেই পারেন না। প্রবাসে বসবাসরত এ অঞ্চলের মানুষ প্রতি শীত মৌসুমেই কুমড়া বড়ির ফরমায়েশ পাঠান স্বজনদের কাছে। বড়ি উৎপাদনের সাথে জড়িতরা জানান, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানেই কুমড়া বড়ি যাচ্ছে।
