উইকিলিকস প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের সমস্যায় ভুগছেন। যে কোনো সময় ওই অবস্থার আরো অবণতি ঘটতে পারে। আর এজন্য তার নিয়মিত চিকিত্সকের তত্ত্বাবধানে চিকিত্সা গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত ইকুয়েডরের রাষ্ট্রদূত।
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত ইকুয়েডরের রাষ্ট্রদূত আনা আলবান কুইটোয় সফরকালে স্থানীয় টিভি নেটওয়ার্ককে বলেন, অ্যাসাঞ্জের দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের সমস্যা রয়েছে। যে কোনো সময়ে ওই অবস্থার অবণতি হতে পারে।
তিনি আরো জানান, ইকুয়েডর অ্যাসাঞ্জের চিকিত্সা ব্যয় বহন করছে এবং তার স্বাস্থ্য পরীক্ষায় নিয়মিত চিকিত্সকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইকুয়েডর দূতাবাস থেকে বের হওয়া মাত্র অ্যাসাঞ্জকে গ্রেফতার করা হবে। বর্তমানে লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসের সামনে সার্বক্ষণিক পুলিশি নজরদারী রয়েছে।
অক্টোবরে ইকুয়েডর কর্তৃপক্ষ অ্যাসাঞ্জকে জরুরি চিকিত্সার প্রয়োজনে বাইরে নেয়া হলে তাকে গ্রেপ্তার না করার জন্য শরণার্থীর মর্যাদা দিতে যুক্তরাজ্য কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছিল। অ্যাসাঞ্জ বর্তমানে যুক্তরাজ্যের ইকুয়েডর দূতাবাসে রাজনৈতিক আশ্রয় গ্রহণ করে শরণার্থীর মার্যাদায় অবস্থান করছেন। চলতি বছরের ১৯ জুন সুইডেনে হস্তান্তরের পদক্ষেপ থেকে বাঁচতে লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসে আশ্রয় নেন তিনি।
সুইডেনে তার বিরুদ্ধে দুই নারীকে যৌন হয়রানি করার অপরাধে মামলা রয়েছে। কিন্তু জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তার ধারণা সুইডেনে পাঠানো হলে যুক্তরাষ্ট্র সহজেই তাকে কায় নিতে পারবে। আর যুক্তরাষ্ট্রের হাতে গেলে তাকে গুপ্তচরবৃত্তির অজুহাতে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন।
