গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জস্থ রংপুর চিনি মিলের ২ হাজার ৬১ টন চিটাগুড় অবিক্রীত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় ২ কোটি টাকা। গত ২০১১ সালের মাঝামাঝি সময় চিটাগুড়ের বাজার বেশি থাকলেও সুগার মিল কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে তখন বিক্রি না করায় এখন কমদামেও এ চিটাগুড় কেউ কিনছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে করে সুগার মিলের প্রায় কোটি টাকা লোকসান হবে। বাজারে চিটাগুড়ের চাহিদা কমে যাওয়ায় এখন আর গ্রাহক খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। সূত্রটি আরো জানায়, গত ২০১১ সালের ১৭ আগস্ট রংপুর সুগার মিলের ৫শ’ টন চিটাগুড় বিক্রির টেন্ডার করা হলে বেশ কয়েকটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টেন্ডার অংশ নেন। তখন সর্বোচ্চ দর উঠে প্রতিমণ ৪শ’ ৭৭ টাকা। কিন্তু মিল কর্তৃপক্ষ অজ্ঞাত কারণে ওই টেন্ডার বাতিল করেন। এ ব্যাপারে মিলের মহাব্যবস্থাপক আব্দুল খালেক জানান, মাত্র ৬ মাস হল তিনি এই চিনি মিলে যোগদান করেছেন। তাই ওই সময়ে আসলে কি হয়েছিল তা তিনি পরিষ্কার জানেন না। তিনি আরো জানান, ইতিমধ্যে চিটাগুড় বিক্রির জন্য টেন্ডার করেছেন।
