৫ জন ভিনদেশি ট্র্যাভেল এজেন্ট

আপডেট : ০২ ডিসেম্বর ২০১২, ১৯:৩৪
ট্র্যাভেল এজেন্সি একধরনের সেবামূলক প্রতিষ্ঠান, যার মাধ্যমে কোথাও ভ্রমণ সম্পর্কে সব ধরনের তথ্য ও সেবা পাওয়া যাবে। দেশে বিদেশে বিভিন্ন তরুণ-তরুণীরা এই পেশার সাথে জড়িয়ে আছেন। কারও কাছে পার্ট টাইম তো কারও কাছে ক্যারিয়ার। প্রজন্মের এমনই কিছু তরুণ-তরুণী যারা এই কাজের সাথে রয়েছেন তাদের নিয়ে লিখেছেন প্রাঞ্জল সেলিম মা ই টা ব্রা ন চি য়া কাল্টিভেট ট্রাভেল এজেন্সির সাথে কাজ করছেন তিনি দীর্ঘদিন ধরে। চাকরির সুবাদে তিনি আর্জেন্টিনা, চিলি ও উরুগুয়ে পাড়ি জমিয়েছেন বেশ কয়েকবার। সে সময় আর্জেন্টিনার অবস্থা খুবই বাজে ছিল। সেখানে কোনো ভালো ট্যুরিজম কোম্পানি অথবা ট্রাভেল গাইড ছিল না। সেইসময় কাজ করেছেন তিনি। বেশ নামও কামিয়েছেন তিনি। বর্তমানে তিনি নর্থ সেন্ট্রাল আর্জেন্টিনাতে কাজ করছেন। ক্যারিয়ারের শুরুটা বেশ মজার ছিল তার। কোনোরকম অভিজ্ঞতা ছাড়াই শুধুমাত্র তার এক বন্ধুকে সাহায্য করার জন্য এসেছিলেন তিনি। ভালো লেগে যায় এই পেশা। জ ন স্ট্র ং পুরো নাম জন স্ট্রং কিন্তু বন্ধুমহলে তিনি পরিচিত জিম নামে। তিনি প্রফেশনাল ট্যুরিস্ট গাইড হিসেবে কাজ করছেন বহু বছর ধরে। ‘ট্রাভেলার্স অ্যান্ড প্ল্যানিং’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সাথে তিনি কাজ করছেন। খুব অল্প বয়সেই তিনি তার ক্যারিয়ারের শুরুটা করেন। তিনি ছোটবেলা থেকেই চেয়েছিলেন ট্রাভেল গাইড হিসেবে নাম কামাবেন। তার সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। তবে এই ক্যারিয়ারের বাইরে তার আরও একটি পরিচয় আছে। তিনি লেখক হিসেবেও যথেষ্ট নামকরা। তিনি তার জীবনে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখেছেন ‘ট্রাভেলার্স অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড’। বা র বা রা গ্যা লা রি শ্রীলঙ্কান এ ট্রাভেল এজেন্সিতে তিনি কাজ শুরু করেন তরুণ বয়সে। তিনি শ্রীলঙ্কায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেখানকার পরিবেশ তার ভালো লেগে যায়। ইটালির বাসিন্দা বারবারা’র তেমন কোনো পিছুটানও ছিল না। তিনি সেখানে বসতি স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেন। এরপর জীবিকার জন্য বেছে নেন ট্যুরিজম কোম্পানি। প্রথমে অবশ্য একটি বেসিক কোর্স করতে হয় তার। এরপর প্রকৃতির সাথে শুরু করেন তার ক্যারিয়ার। সৌন্দর্যপিপাসু এই নারী বিশ্বের ১৫ জন বিখ্যাত টুরিস্ট গাইডের মধ্যে একজন হওয়ার খেতাবটি অর্জন করেছেন। জো য়ে ল জ্যা ক নিজের নামেই রেজিস্টার করিয়েছেন স্প্যানিশ এই ট্রাভেল গাইড। তিনি প্রাইভেট ট্যুরের গাইড হিসেবে কাজ করেন। কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট পদে থাকলেও ট্যুর গাইড হিসেবেও কাজ করেন তিনি। স্পেনের জায়গাগুলো তার ভালোই চেনা। শৈশব কেটেছে তার সেখানে। সেখানেই বেড়ে ওঠা। বিশ্বের হাতে গোনা কয়েকটি ট্যুর গাইডের মধ্যে শীর্ষে রয়েছেন তিনি। জীবনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এই লাইনে ক্যারিয়ার গড়েছেন তিনি। তার কোনো প্রশিক্ষণ নেই। কাজের কারণে বেশ কয়েকবার মরোক্ক, সাউথ আফ্রিকা, পর্তুগাল ও তুরস্কের মতো জায়গাগুলোতেও কাজ করেছেন তিনি। প্রি সি লি য়া অ্যা লে ক জা ন্ডা র একজন ট্রাভেল এজেন্ট হিসেবে ক্যারিয়ারের সূচনা করেন প্রিসিলিয়া। ‘প্রো-ট্রাভেল ইন্টারন্যাশনাল’ নামের এজেন্সির সাথে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন তিনি। ধীরে ধীরে সফলতার সিঁড়ি বেয়ে তিনি আজ এ কোম্পানির ট্রাভেল অ্যাডভাইজার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। তাদের এই কোম্পানি বিশ্বের ১২টি সেরা কোম্পানির মধ্যে একটা। এ কাজের ক্রেডিট প্রিসিলিয়ার ভাগে আসে অনেকটাই। নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছেন তিনি ৫ বছর ধরে। ক্যারিয়ারের শুরুতে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল বার্মাতে। বেস্ট ট্রাভেল গাইড হিসেবে বেশ নাম নামিয়েছেন তিনি খুব অল্প সময়েই।