অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয় পড়ালেখা করে পেশাদার হতে চায় অনেইে। কিন্তু এ সম্পর্কে অনেকেরই স্পষ্ট ধারণা নেই। অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং বা এয়ারক্রাফট মেইনটেইন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার হচ্ছে এমন একজন লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তি যিনি উড়োজাহাজের আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করেন। বিশেষ করে অ্যারোপ্লেন উড্ডয়নের আগে এর সব সিস্টেম ঠিক আছে কি না তা সম্পর্কে পাইলটরা সব ধরনের তথ্যপত্র নিয়ে থাকে।
এয়ারলাইন্স শিল্পে পদের তুলনায় দক্ষ অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং অপ্রতুলতার কারণে শিক্ষা জীবনের শেষ বর্ষে অধ্যায়নরতদের চাকরিতে নিয়োগ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দিয়ে থাকে এবং এটা শিক্ষা জীবনে কোনো বিরূপ ফেলে না। ০১৭৪৯৩০৬০৯০ এবং ০১৬৭৭৩০৬০৩২ নম্বারে ফোন করে এসব পেশা সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে পারবেন।
এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়াররা সাধারণত এয়ারক্রাফটের নিত্যনতুন ডিজাইন উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ, এয়ারফ্রেম ইঞ্জিন তৈরি, মেরামত প্রভৃতি। অন্যদিকে এয়ারক্রাফটয়ের ফ্লাইট টেস্ট প্রগ্রামে টেক অব ডিস্টেন্স, রেট অব ক্লইম্ব, সিল স্পিড, ম্যানুভারিলিটি অ্যান্ড ল্যান্ডিং ক্যাপাসিটি প্রভৃতিও পর্যবেক্ষণ করে থাকে। অন্যদিকে জ্বালানি দুষণ কমানো, দুর্ঘটনার কারণ নির্ণয়, সেফটি সিস্টেমসসহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ করতে হয়। বাংলাদেশে এই বিষয়ে দক্ষ জনবল তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে ওমর সুলতান ফাউন্ডেশনের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড কলেজ অব এভিয়েশন সায়েন্স অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট। প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করছে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইন অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, হায়ার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইন অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, বিএসসি ইন অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং প্রভৃতি কোর্স। অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি ডিগ্রি অর্জন করতে সময় লাগে চার বছর ও এইচএসসি/এ-লেভেল সম্পন্নকারীরা এ কোর্স করতে পারবে। অন্যদিকে এনডি ও এইচএনডি ইন অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করতে সময় লাগবে দেড় বছর এবং এইচএনডি অর্জন করতে এইচএসসি বা এ-লেভেল এবং এনডি অর্জন করতে এসএসসি বা ও-লেভেল পাশ থাকতে হবে।
