নৌ-দুর্ঘটনা রোধে আবহাওয়া অধিদপ্তরের অধীনে পিরোজপুরের কাউখালীতে সন্ধ্যা নদীর তীরে নৌ-চলাচল পূর্বাভাস কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার দুই বছর পরও চালু হয়নি। জনবল ও যন্ত্রপাতির অভাবে কেন্দ্রটি চালু করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মূল ভবনটিতে এখন কয়েকজন আনসার সদস্য বসবাস করেন। ২০০৬ সালে ১৩টি নৌ-পূর্বাভাস কেন্দ্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ২০০৬-২০০৭ অর্থ বছরে পিরোজপুরের কাউখালী, মুন্সীগঞ্জের মাওয়া, নরসিংদী সদর, সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ী, মানিকগঞ্জের আরিচা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ, লক্ষ্মীপুরের রামগতি, বরিশালের হিজলা ও সদর, ভোলার মনপুরা,চাঁদপুর সদর ও পটুয়াখালী সদরে অবকাঠামো (স্থাপনা) নির্মাণ করা হয়। সে অনুযায়ী পিরোজপুরের কাউখালীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে গণপূর্ত বিভাগ ২০১০ সালের জুন মাসে ভবন নির্মাণ শেষ করে। দুই বছর পরও তা আবহাওয়া অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। ফলে আবহাওয়া ও দুর্যোগ সংক্রান্ত খবর যথাসময়ে কাউখালী নৌবন্দরে পৌঁছে না। নৌ-পথে নৌ-চলাচলে দুর্যোগবার্তা পেতে রেডিও ও মোবাইল ফোনই ভরসা। এ ব্যাপারে আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক বলেন, জনবল ও যন্ত্রপাতি সংকটসহ নানা সীমাবদ্ধতায় নৌ-পূর্বাভাস কেন্দ্রগুলো চালু করতে বিলম্ব হচ্ছে। জনবল নিয়োগের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া আধুনিক ও স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি ক্রয় ও স্থাপন এবং অফিস সাজসজ্জাকরণের ব্যয় বরাদ্দের প্রস্তাবও অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।
