শিবির কর্মী মুজাহিদুল ইসলাম পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার প্রতিবাদে দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলায় প্রায় ঢিলেঢালাভাবে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালিত হয়েছে।
গতকাল বুধবার সকালে শিবির নেতা-কর্মীরা দিনাজপুর শহরের বিভিন্ন স্থানে লাঠি মিছিল করে। এ সময় তারা বিভিন্ন স্থানে রাস্তার উপর টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে। সকাল থেকে দোকানপাট বন্ধ ছিল। বাস চলাচল বন্ধ থাকায় জেলা অভ্যন্তরীর রুটগুলোতে নছিমন ও ভটভটি দিয়ে যাত্রীরা বিকল্প ব্যবস্থায় চলাচল করে।
সকালে জেলার খানসামা উপজেলার পাকেরহাটে জামায়াত-শিবির কর্মীরা পিকেটিং করার সময় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা তাদের উপর হামলা চালায়। এতে ৪ জন আহত হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের মধ্যে গুরুতর ২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ২ শিবির কর্মীকে আটক করেছে। দুপুরে বিরল উপজেলার ধুকুরঝাড়ী নামক স্থানে আবিল হোসেন নামে এক শিবিরকর্মী রাস্তায় ব্যারিকেড দেয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় দোকানদাররা তাকে মারপিট করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। দুপুর পৌনে একটার দিকে ঘোড়াঘাট উপজেলার নিতাই শাহ্ মোড় নামক স্থানে হরতালকারীরা একটি বাস, একটি ট্রাক ও একটি প্রাইভেট কার ভাংচুর করে। এদিকে ছাত্রশিবিরের ডাকা হরতাল সকাল থেকে শুরু হলেও দুপুর ১টা থেকে জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
গত সোমবার জেলার চিরিরবন্দর উপজেলার রানীরবন্দর বাজারে জামায়াত-শিবিরের সাথে পুলিশের সংঘর্ষের সময় ছাত্রশিবির কর্মী মুজাহিদুল ইসলাম নিহত হয় বলে দাবি করেছে জামায়াতে ইসলাম ও ছাত্রশিবির।
