তারুণ্যের আলোকে

আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর ২০১২, ১৯:৩০
প্রতিদিনের তারুণ্যময় জীবনে লাইফস্টাইল, ফ্যাশন আর নানা বিষয় নিয়ে তরুণদের জন্য এক আলাদা জগত্ এ ছাড়াও মতামত প্রকাশে সাহায্য নিতে পারেন জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ফেসবুকের। গ্রন্থনা : সাজেদুল ইসলাম শুভ্র দে খা র ছ বি সিজে সেভেন পরিচালক :স্টিফেন চাউ ছবির কথা মুভিটির নাম ‘সিজে সেভেন’। এটি একটি কমেডি ধাঁচের ছবি। মুভিটি পরিচালনা এবং একই সাথে অভিনয় করেছেন ক্যান্টোনিজ চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা স্টিফেন চাউ যিনি ‘শাওলিন সকার’ ও ‘কুংফু হাসল’-এর মতো জনপ্রিয় সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। যারা শিশুতোষ মুভি পছন্দ করেন তাদের কাছে মুভিটি অন্য রকম ভালো লাগবে। সিনেমার কাহিনী শুরু হয় এক অতীব দরিদ্র পিতা (তাই) ও তার একমাত্র পুত্রসন্তান (ডিকি)-কে নিয়ে। তাইয়ের স্বপ্ন তার ছেলে একদিন মানুষের মতো মানুষ হবে। যা প্রতিটি বাবার থাকে। সে তার দারিদ্রতার কথা ভুলে ছেলেকে ভর্তি করায় দেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল স্কুলে। নিজে না খেয়ে থেকেও সে তার ছেলের পড়ালেখার খরচ জোগার করে। একদিন ছেলের জন্য নতুন জুতা কেনার অর্থ না থাকায় সে যায় ভাগাড়ে ফেলে দেওয়া মানুষের পুরোনো জুতার খোঁজে। সেখানেই সে কুড়িয়ে পায় একটি খেলনা। তবে এটা কোনো মামুলি খেলনা নয়। এটা হচ্ছে ভিনগ্রহের এক প্রাণী। এরপর ঘটনা মোড় নেয় সম্পূর্ণ নতুন দিকে। রোমহর্ষক কিছু কাহিনীও সংযোজিত হয়েছে ছবিটিতে, যা যোগ করেছে নতুন মাত্রা। কেন দেখবেন ছবিটির কাহিনী মূলত শিশুতোষ হলেও সব বয়েসী মানুষের ভালো লাগবে বলেই মনে হয়। গ্রামের এক হতদরিদ্র পরিবারের কাহিনী পরিচালকের দক্ষতায় খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে পর্দায়, খুব সহজেই তা নজর কাড়বে সবার। শো না র গা ন কে আঁকে অন্য ছবি প্রকাশক :অগ্নিবীণা শিল্পী :হামিন আহমেদ, খালিদ, তাহসান, পার্থ বড়ুয়া, বাপ্পা মজুমদার, এসআই টুটুল ও টিপু। গানের কথা হামিনের গাওয়া অ্যালবামের প্রথম গান ‘তুমি কোথায়’। রক ব্যালান্সড ঘরানার গানটির সুর করেছেন টুটুল। বেশ ভালো সুর, রাতে শুনতে ভালোই লাগবে। কোরাসটা আরও আকর্ষণীয় হলে ভালো হতো। হামিন দারুণ গেয়েছেন, শুরুতে ভালো একটি কি-বোর্ড সলো বাজিয়েছেন পার্থ মজুমদার। তাহসানের গাওয়া টাইটেল গান ‘কে আঁকে অন্য ছবি’ ইতোমধ্যেই বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সুরকার পার্থ মজুমদার চমত্কার সুর করেছেন। ব্যালাড ধরনের গানটি সুন্দর গেয়েছেন তাহসান। গানটির কথা অনুযায়ী বেদনার ভাবটা গলায় ভালোভাবে তুলে আনতে পেরেছেন। টিআই অন্তর গানটি খুবই চমত্কার লিখেছেন। ঠিক যেন এ সময়ের প্রেমের অবস্থাটাই উঠে এসেছে। গীতিকার অন্তর তার প্রতিভার স্বাক্ষর নিয়মিতই রাখছেন ইদানীং। খালিদের গাওয়া ‘তুমি নেই তাই’ গানটিকে এ অ্যালবামের সেরা বলা যায়। পার্থ বড়ুয়ার গাওয়া ‘বৃষ্টি ভেজা সন্ধ্যা’ গানটি মেলো রক। জাহিদ আকবর ও টিপুর লেখা গানের কথা খুবই ভালো। কেন শুনবেন সব ধরনের গানের সংমিশ্রণে এটি সুন্দর একটা অ্যালবাম, ভালো লাগবে সব বয়েসী শ্রোতার। স ফ ল দে র স্ব প্ন গাঁ থা এপিজে আব্দুল কালাম ভারতবর্ষের সফল রাষ্ট্রপতি এপিজে আব্দুল কালাম, তার বয়ানেই শুনি কিছু সফলতার কথা। ‘তৃতীয় বর্ষে বৈমানিক প্রকৌশলবিদ্যা পড়ার সময় পাঁচজন সহপাঠী নিয়ে আমার ওপর দায়িত্ব দেওয়া হলো একটি নিম্নস্তরবর্তী আঘাত হানার ক্ষমতাসম্পন্ন যুদ্ধবিমানের নকশা তৈরি করার। সিস্টেম নকশা প্রণয়ন এবং সমন্বয় সাধনের গুরুদায়িত্ব আমার। প্রকল্পটির আনুষঙ্গিক, বিমানের গতির হিসাব এবং কাঠামোগত নকশাও আমাকে দেখতে হবে। আমাদের তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন মাদ্রাজ প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক শ্রীনিবাস। আমাদের কাজ দেখে তিনি ঘোষণা দিলেন, প্রকল্পটির পুরোটাই হতাশাজনক। এতজনের নকশা একত্র করে এ পর্যন্ত উপস্থাপন করতে আমরা যে কতটা পরিশ্রম করেছি এবং কতটা বাধাবিপত্তি পেরিয়ে এসেছি, সেটা তিনি কানেও তুললেন না। আমি এক মাস সময় চাইলাম। অধ্যাপক শ্রীনিবাস জবাব দিলেন, ‘দেখো, ইয়ং ম্যান! আজ শুক্রবার দুপুরবেলা। আমি তোমাকে তিন দিন সময় দিচ্ছি। সোমবার সকালের মধ্যে এই নকশার কনফিগারেশন হাতে না পেলে তোমার স্কলারশিপ বন্ধ।’ অধ্যাপক শ্রীনিবাসের দিকনির্দেশনায় আমি এবং আমার দলের প্রত্যেকেই সময়ের প্রয়োজনীয়তা ভালোভাবে বুঝতে শিখেছি। আমি বুঝলাম যখন কোনো মানুষ চরমভাবে ঠেকে যায়, তখন তার ক্ষমতা ও চিন্তাশক্তি দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পায়।’ ত থ্য ক ণি কা পাহাড়পুর পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়)-এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার। বৌদ্ধ বিহারটির ভূমি-পরিকল্পনা চতুষ্কোনাকার। উত্তর ও দক্ষিণ বাহুদ্বয় প্রতিটি ২৭৩.৭ মি এবং পূর্ব ও পশ্চিম বাহুদ্বয় ২৭৪.১৫ মি। এর চারদিক চওড়া সীমানা দেয়াল দিয়ে ঘেরা ছিল। সীমানা দেয়াল বরাবর অভ্যন্তর ভাগে সারিবদ্ধ ছোট ছোট কক্ষ ছিল। উত্তর দিকের বাহুতে ৪৫টি এবং অন্য তিন দিকের বাহুতে রয়েছে ৪৪টি করে কক্ষ। এই কক্ষগুলোর তিনটি মেঝে আবিষ্কৃত হয়েছে। প্রতিটি মেঝে বিছানো ইটের ওপর পুরু সুরকি দিয়ে অত্যন্ত মজবুত ভাবে তৈরি করা হয়েছিল। সর্বশেষ যুগে ৯২টি কক্ষে মেঝের ওপর বিভিন্ন আকারের বেদী নির্মাণ করা হয়। এ থেকে অনুমান করা যায় যে, প্রথম যুগে সবগুলো কক্ষই ভিক্ষুদের আবাসকক্ষ হিসেবে ব্যবহূত হলেও পরবর্তীকালে কিছু কক্ষ প্রার্থনাকক্ষে রূপান্তর করা হয়েছিল। কক্ষগুলোর প্রতিটিতে দরজা আছে। এই দরজাগুলো ভেতরের দিকে প্রশস্ত কিন্তু বাইরের দিকে সরু হয়ে গেছে। কোনো কোনো কক্ষে কুলুঙ্গি পাওয়া যায়। কুলুঙ্গি সম্বলিত কক্ষগুলোর মেঝেতে দৈনন্দিন ব্যবহারযোগ্য বেশ কিছু দ্রব্যাদি পাওয়া যায়। ভেতরের দিকে কক্ষগুলোর দৈর্ঘ্য ৪.২৬ মি এবং প্রস্থ ৪.১১ মি। কক্ষের পেছনের দিকের দেয়াল অর্থাত্ সীমানা দেয়াল ৪.৮৭ মি এবং সামনের দেয়াল ২.৪৪ মি চওড়া। কক্ষগুলোর সামনে ২.৫ মি প্রশস্ত টানা বারান্দা আছে। ভেতরের দিকের উন্মুক্ত চত্বরের সাথে প্রতিটি বাহু সিঁড়ি দিয়ে যুক্ত।