মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের কথা স্মরণ করে তাঁদের ‘দেশের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ সন্তান’ হিসেবে পরিগণিত করা হয়। অথচ এই মুক্তিযোদ্ধাদের অনেকেই যখন মানবেতর জীবনযাপন করেন তখন তাদের জন্য কতই না দুঃখ হয়। আজ অনেক মুক্তিযোদ্ধা বিত্তবৈভব ও যশের অধিকারী। যুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে স্বার্থের কথা ভুলে দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন। তাঁরা তো তখন স্বার্থের কথা ভাবেননি। যুদ্ধের পরপরই যেন কেউ কাউকে চেনেন না। একজন মুক্তিযোদ্ধা অন্য মুক্তিযোদ্ধার কাছে পরিচয় দিতে লজ্জাবোধ করেন। এর কারণ, মুক্তিযোদ্ধারা তাঁদের আদর্শ থেকে বিচ্যুত। আজ ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা তৈরি হচ্ছে, বানানো হচ্ছে। গত ১১ নভেম্বর পত্রিকায় ‘মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় মর্যাদা, জীবদ্দশায় জুতা সেলাই’ শিরোনামে প্রকাশিত সচিত্র মৃত্যু সংবাদটি আমাকে খুবই ভাবিয়েছে। হূদয়ের ক্ষত ধরে রাখতে পারিনি। কেঁদেছি, ভেবেছি— এরূপ সংবাদ যেন আর না পাঠ করি। সরকারকে বলবো, মুক্তিযোদ্ধাদের অবহেলা করবেন না।
অ্যাডভোকেট মো. আলাউদ্দীন,
বীর মুক্তিযোদ্ধা,
বাড়ি ১১, রোড ২, ব্লক- এ, বনশ্রী,
রামপুরা, ঢাকা ১২১৯।
