ভি ন দে শি

৫ জন ভিনদেশি সাহসী জন

আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০১২, ১৯:০৮
তরুণ প্রজন্মের ভেতর একটি অসাধারণ ব্যাপার দেখা যায়—তারা হলো নির্ভীক। যেন কোনোকিছুতেই তাদের ভয় নেই। আছে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাওয়ার উদ্যম আগ্রহ। সেই সাহস দিয়েই অনেকে করে ফেলেন অনেক রকমের কঠিন কাজ। এমনই কিছু নির্ভীক প্রতিভা নিয়ে লিখেছেন জে সি কা অভিযানপ্রিয় কিশোরী জেসিকা ওয়াটসন। একা একা ছোট একটি বোট নিয়ে সাগর পাড়ি দিয়ে রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। শত শত তরুণ-তরুণীর নায়িকাতে পরিণত হয়েছেন এই কিশোরী, জেসিকা। যিনি সবচেয়ে কম বয়সে পালতোলা নৌকা নিয়ে কারও সাহায্য ছাড়াই স্রেফ একা সমুদ্রপথে বিশ্বভ্রমণ করেছেন। পালতোলা নৌকা নিয়ে সর্বকনিষ্ঠ অভিযাত্রী হিসেবে বিশ্বভ্রমণের অনানুষ্ঠানিক রেকর্ডটি এখন জেসিকার কবজায়। অনানুষ্ঠানিক এই কারণে, যখন সাগর পাড়ি দেন জেসিকা, তখন তিনি ছিলেন অপ্রাপ্তবয়স্ক। আর যে পথে তিনি সমুদ্রপথে বিশ্ব প্রদক্ষিণ করেছেন, সেটি ওয়ার্ল্ড সেইলিং স্পিড রেকর্ড কাউন্সিলের সব নিয়ম মানতে পারেনি। ল্যা ন্স আ র্ম স্ট্র ং ১৯৭১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর মাসে টেক্সাসের ওক ক্লিফ শহরের মেথডিস্ট হাসপাতালে জন্ম নেন এই খ্যাতিমান ক্রিয়াশিল্পী ল্যান্স আর্মস্ট্রং। টেক্সাসের পশ্চিমে ডালাস শহরে বেড়ে ওঠেন তিনি। আমেরিকান এক সাইকেল চালিয়ে। এক কথায় ‘রোড রেসিং সাইকেলিস্ট’। দ্য ফ্রান্স ট্যুর বিজয়ী হিসেবে তার পরিচিতি সর্বস্তরে। তার সাফল্যে আরও পালক যোগ করে তার ২০০৩, ২০০৪, ২০০৫ এবং ২০০৬ সালের পুরস্কারগুলো। তিনি ইএসপিএন-এর ‘ইসপি’ অ্যাওয়ার্ড পান। এ ছাড়াও বিবিসি থেকে বেস্ট পারসোনালিটি অ্যাওয়ার্ডও তাকে প্রদান করা হয়। তবে এরপর ২০০৯ সালের শেষদিকে এ ট্যুরে তিনি তৃতীয় স্থানে আসেন। ফি লি ক্স ব ম গা র্ট না র কিছু কিছু মানুষ তাদের ভেতরের দুরন্তপনা নিয়ে বাঁচতে ভালোবাসেন। তারা বিভিন্ন ধরনের ভয়ঙ্কর কাজে ঝাঁপিয়ে পড়তেও ভয় পান না। দুর্বার, দুর্জয় এসব মানুষদের মতোই একজন হলেন অস্ট্রেলিয়ার বাসিন্দা ফিলিক্স বমগার্টনার। ফিলিক্স বমগার্টনারের জন্ম অস্ট্রেলিয়ার স্যালজবার্গ শহরে। ১৯৬৯ সালের ২০ এপ্রিল জন্ম নেওয়া এই সাহসী মানুষটি স্কাইডাইভার হিসেবে বেশ নাম কামিয়েছেন। তার ক্যারিয়ারের বেশিরভাগ সময়ই তিনি ভয়ঙ্কর সব কাজ করে চমকে দিয়েছেন সবাইকে। স্কাইডাইভিংয়ের জন্য তিনি প্রথমে মিলিটারিতে ঢুকেছিলেন, সেখানে কয়েক বছর ধরে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন স্কাই ডাইভিংয়ের উপর। রেকর্ড গড়ে বিশ্বের কাছে সাহসী হিসেবে তুলে ধরলেন নিজেকে। লা তা ভি সা বে ল ডিসেম্বার ২০০৭ সালের একটা সুন্দর সকাল। তার ঘুম ভাঙে একটা আর্তচি?কার শুনে। কেউ সাহায্য চাইছে। তিনি জানালার কাছে গিয়ে দেখলেন তার প্রতিবেশির বাড়িটিতে আগুন লেগেছে। আর সে আটকা পড়েছে, আগুনের কারণে বের হতে পারছে না। সাহসী লাতাভিসা বিন্দুমাত্র বিলম্ব না করে এগিয়ে গেলেন সাহায্য করতে। তখনো ফায়ারফাইটাররা এসে পৌছায়নি। লাতাভিসা জানালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে আগুনের সাথে যুদ্ধ করে বের করে নিয়ে আসলেন তার প্রতিবেশিকে। এর প্রায় কিছু ক্ষনের মধ্যেই ফায়ারব্রিগেড দল চলে আসে। লাতাভিসাকে তার এই সাহসী পদক্ষেপের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। স্যা ন্ড্রা হি ল পি ট ম্যা ন পর্বতারোহী এই সাহসী মহিলাটির পুরো নাম স্যান্ড্রা হিল পিটম্যান। তিনি একাধারে একজন সমাজসেবক, পর্বতারোহী, লেখিকা এবং ফর্মার ফ্যাশান এডিটর। পর্বতারোহন তার কাছে নেশার মত।তিনি পাহাড়ের ডাক উপেক্ষা করতে না পেরে ছুটে গিয়েছিলেন মাউন্ট এভারেস্ট-এ। ১৯৯৬ সালের মাউন্ট এভারেস্টের দূর্যোগের কবলে পরতে হয়ে ছিলো তাকে।সেখন থেকে বেচে ফিরে এসেছেন তিনি। তিনি ৩৪ তম মহিলা যিনি মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় আরোহন করে ছিলেন। সেই সাথে তিনি ২য় মহিলা পর্বতারোহী যিনি মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় উঠেছিলেন। ক্যালিফোর্নিয়ার লস গ্যাটোসে জন্ম নেওয়া স্যান্ডি হিলের বাবা একজন ব্যাবসায়ী।