মির্জা ফখরুলের দাবি সারাদেশে নিহত ৪ আহত ৬০০

আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:৩১
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাজধানীসহ দেশজুড়ে অবরোধ চলাকালে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ-যুবলীগ ও পুলিশের হামলায় বিএনপি ও জামায়াতের ৪ কর্মী নিহত হয়েছেন। সারাদেশে আহত হয়েছেন ৬ শতাধিক ও গ্রেফতার হয়েছেন ৪৪০ জন। শুধু রাজধানী ঢাকায় আহত হয়েছেন ৪৭০ জন ও গ্রেফতার হয়েছেন ২২৫ জন। নিহত ৪ জন হচ্ছেন পুরনো ঢাকার কোর্ট-কাচারি এলাকায় বিশ্বজিত, কিশোরগঞ্জে বিএনপি কর্মী আলতাফুর রহমান, সিরাজগঞ্জে শিবিরকর্মী ওয়ারেস আলী ও ঢাকার উত্তরায় অজ্ঞাতনামা একজন । অবরোধ সমাপ্তি ঘোষণা করে বেলা আড়াইটায় নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুলসহ সিনিয়র নেতারা ভোর থেকেই এই কার্যালয়ে অবস্থান করেন। মির্জা ফখরুল বলেন, ১৮ দলীয় জোটের দেশব্যাপী অবরোধ কর্মসূচি সারাদেশের জনগণ স্বতস্ফূর্তভাবে পালন করেছে। অবরোধের মধ্য দিয়ে আবারো প্রমাণিত হলো এদেশের মানুষ এই সরকারকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। অবরোধে জনগণ সরকারের প্রতি অনাস্থা দিয়েছে। তারা নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চায়। এছাড়া কোনো নির্বাচন এদেশের মাটিতে হতে দেয়া হবে না। এই সফল অবরোধ পালন করার জন্য বিএনপি, ১৮ দলীয় জোট ও জোটনেত্রী খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব দেশবাসী, ১৮ দলীয় জোটের নেতাকর্মী ও বিএনপির অংগ সংগঠনের নেতাকর্মীদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। তিনি নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনা ও পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা, আহতদের আশু সুস্থতা কামনা ও গ্রেফতারকৃতদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন। আহত হয়েছেন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল করিম পল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি ফয়সাল আহমেদ সজল, সহ-সভাপতি ফারুক প্রমুখ। তিনি বলেন, রাজধানীর ধানমন্ডিতে ছাত্রলীগ-যুবলীগ ক্যাডাররা চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুল মান্নানের বাসায় হামলা চালিয়ে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা এবং নাটোর জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক উপমন্ত্রী ও বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর বাসায় হামলা চালায়। পরে পুলিশ দুলুকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।