বিসিএস পরীক্ষার দিন হরতাল, পরীক্ষার্থীরা সংশয়-শংকায়

আপডেট : ১০ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:৫৭
৩৩তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার পরীক্ষার্থীরা সংশয়ে পড়েছেন। আগামী ১৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন কিনা এ নিয়ে শংকায় পড়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা। ১৮ ডিসেম্বর সিপিবি, বাসদ ও বামমোর্চা হরতাল ডাকায় পরীক্ষার্থীদের মধ্যে এ সংশয় এবং শংকা তৈরি হয়েছে। একাধিক বিসিএস পরীক্ষার্থী জানান, দেশে বেসামরিক চাকরির মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিসিএস। হরতালের দিন এ চাকরির পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে কিনা তা নিয়ে সংশয়ে আছেন তারা। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় হরতালের দিন এ গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলে অধিকাংশ পরীক্ষার্থী বিপাকে পড়বেন। অনেকে পরীক্ষার হলে নির্দিষ্ট সময়ে অংশগ্রহণ করতে পারবেন কিনা এ নিয়ে শংকা রয়েছে। আহত হওয়ারও ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এ ইস্যুতে সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) কোনো নির্দেশনা ঘোষণা না করায় চাকরিপ্রার্থী ও তাদের অভিভাবকরা চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। এ প্রসঙ্গে জানতে পিএসসি’র চেয়ারম্যান আহমেদুল কবির বলেন, গতকালের অবরোধেও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৮ তারিখের হরতালের দিনও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করছি। তবে এটি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করতে হবে। পরিস্থিতি ভালো থাকলে পরীক্ষার তারিখ বা সময়সূচি পরিবর্তিত হবে না। উল্লেখ্য, ১৮ ডিসেম্বর বিসিএস’র ইংরেজী প্রথমপত্রের এবং দ্বিতীয়পত্রের পরীক্ষা যথাক্রমে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা এবং দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আর ‘জামায়াত-শিবিরসহ সকল সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুত শেষ করে শাস্তি কার্যকর করা, গার্মেন্ট হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী মালিকপক্ষ ও সরকারি ব্যক্তিদের গ্রেফতার ও শাস্তি প্রদান করা, গার্মেন্টসসহ সকল শিল্প-কারখানায় আইন অনুযায়ী কর্মস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা’সহ বিভিন্ন দাবিতে সিপিবি, বাসদ ও বামমোর্চা ঐদিনই হরতাল আহ্বান করেছে।