চীন-বিরোধী ক্ষোভ প্রকাশে তিব্বতিদের আগুনে আত্মাহুতির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় বিক্ষোভ দমনে কঠোর হচ্ছে বেইজিং। কিন্তু চীনের নতুন নেতৃত্ব তিব্বতের প্রতি নমনীয় মনোভাব দেখাবে বলে ধারণা করা হয়েছিল। মার্চে ক্ষমতাসীন নতুন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বাবার (সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট) সঙ্গে তিব্বতের আধ্যাত্মিক নেতা দালাইলামার সুসম্পর্ক ছিল। তাই জিনপিং প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর কয়েকজন বিশেষজ্ঞ ধারণা করেছিলেন, তিনি হয়তো সমস্যা সঙ্কুল তিব্বতি এলাকায় গঠনমূলক পদক্ষেপ নিবেন। কিন্তু এ বছর প্রায় ৮১টি আত্মাহুতির ঘটনাসহ চীন-বিরোধী বিক্ষোভ কঠোরহাতে দমন করেছে চীনের নিরাপত্তা বাহিনী। ১৯৫০ সালে কমিউনিস্ট সেনারা তিব্বতকে ‘শান্তিপূর্ণভাবে স্বায়ত্তশাসন’ দেয়ার পর থেকে অঞ্চলটিতে দারিদ্র্য, ভূমিদাস প্রথা ও অর্থনৈতিক স্থবিরতা বিরাজ করছে জানিয়ে তিব্বতের ওপর কঠোর শাসন বজায় রেখেছে চীন।
