সিরিয়ায় প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের অনুগত বাহিনী ও বিদ্রোহীদের মধ্যকার চলমান গৃহযুদ্ধে বিভিন্ন সংখ্যালঘু ও গোষ্ঠীগুলো জড়িয়ে পড়েছে। এ তালিকায় এবার যুক্ত হয়েছে সিরিয়া ও আশপাশের দেশে বাস করা পাঁচ লাখ ফিলিস্তিনি শরণার্থী। বিবিসি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়।
খবরে বলা হয়, সিরিয়ায় চলমান যুদ্ধ থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে রাখতে চেয়েছে অনেক শরণার্থী। কিন্তু গত কয়েক মাসে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে। খবরে বলা হয়, সিরিয়া ও পাশের দেশগুলোতে থাকা ফিলিস্তিনি তরুণদের কেউ কেউ বিদ্রোহীদের দলে যোগ দিয়েছেন। অনেকে আবার সরকারের অনুগত সেনাবাহিনীর পক্ষেও লড়ছেন। অনেক ফিলিস্তিনি পালিয়ে যেতে চাইলেও শরণার্থী থাকার কারণে তা পারছেন না। বর্তমানে উত্তর জর্ডানের সাইবার সিটি ক্যাম্প নামের একটি নড়বড়ে দালানে থাকছে ৫০টি পরিবার। এ ভবনটি আগে বিদেশি শ্রমিকদের বসবাসের জন্য নির্ধারিত ছিল। ওই ভবনের একটি ছোট কামরার বাসিন্দা এক নারী বলেন, এ বছরের শুরুতে সিরিয়ার সবচেয়ে বড় ইয়ারমুক শরণার্থী ক্যাম্প থেকে বিপদসংকুল পথ পাড়ি দিয়ে তিনি জর্ডান যান। বর্তমানে তিনি স্বামী মাইমুনসহ তিন সন্তান নিয়ে ছোট কামরায় থাকছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের সন্তানদের বাঁচাতে এখানে এসেছি। এখানে জীবন অনেক কষ্টের। কিন্তু দামেস্কে থাকলে আমাদের আরও কঠিন পরিস্থিতিতে পড়তে হতো।’ চলতি বছরের জুলাইয়ে সিরিয়ার সেনাবাহিনীর শাখা প্যালেস্টিনিয়ান লিবারেশন আর্মির একজন সেনা ইয়ারমুক ক্যাম্পে নিহত হওয়ার পর বিক্ষোভ শুরু হয় ক্যাম্পটিতে। এ ব্যাপারে মাইমুন বলেন, হত্যা, গ্রেপ্তার, বিমান হামলা- সবই চলছে। এমনকি ধর্ষণের ঘটনাও ঘটছে।
