মহাজোটের শরীক বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি শতভাগ আনুগত্য প্রকাশ করে বলেছেন, আমি কমিউনিস্ট হলেও আমার নেত্রী শেখ হাসিনা। কারণ তিনি আমাদের ডিজিটাল ও শিল্পসমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছেন। এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে ২০২১ সালে বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ অবস্থানে নিতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। গতকাল মঙ্গলবার মন্ত্রী তার কার্যালয়ে ‘ইত্তেফাক’কে একথা বলেন।
দিলীপ বড়ুয়া বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বিকশিত করে দেশে সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় ক্ষমতা হস্তান্তরের লক্ষ্যে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পদক্ষেপ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল। এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়াকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আর এই প্রেক্ষাপটে জামায়াত-বিএনপি নেতৃতাধীন ১৮ দলীয় জোট মরিয়া হয়ে উঠেছে। এই অপশক্তি বিভিন্ন অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত। যার বহিঃপ্রকাশ সাম্প্রতিক হরতাল, অবরোধ ও সহিংসতার মাধ্যমে প্রতিফলিত হচ্ছে। সম্প্রতি বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধিরা যখন সফর করছেন এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য আস্থাশীল হয়ে উঠেছে তখনই এসব অনভিপ্রেত কর্মকাণ্ড জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কায়েমী স্বার্থবাদীদের নীলনকশা বাস্তবায়িত করার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। তিনি ১৮ দলীয় জোটের উদ্দেশে বলেন, নিজের নাক কেটে গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অন্তরায় সৃষ্টি না করে গঠনমূলক রাজনীতিতে মনোনিবেশ করুন।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, মহাজোট সরকারের শেষদিকে এসে জাতি যখন সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে ঠিক তখনই বিরোধী জোট সরকারের এ সাফল্যকে ম্লান করতে উঠে-পড়ে লেগেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, বিদ্যুত্ উত্পাদন রেকর্ড পর্যায়ে, শিক্ষার হার বাড়ছে, গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ মজবুত, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনি বাড়ানো হয়েছে। ঠিক এ সময় বিরোধী দলের ধ্বংসাত্মক কর্মসূচির মানেই হচ্ছে দেশকে পেছনের দিকে নিয়ে যাওয়া। বাংলাদেশের মানুষ এসব কর্মসূচি প্রত্যাখ্যান করবে।
