ভিডিও এডিটিং এমন একটি পেশা, যেখানে সবসময়ই সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটানো সম্ভব। প্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে আপগ্রেড করে নিতে পারলে আপনি এ পেশায় জড়িয়ে থাকতে পারবেন সবসময়। এ পেশায় খ্যাতি, সুনাম, পরিচিতির সাথে রয়েছে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের হাতছানি। বিশ্বব্যাপী রয়েছে এ পেশায় ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্র। চিত্রগ্রাহকদের ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ কাটছাঁট করে দর্শকদের দেখার উপযোগী করে তোলাই ভিডিও এডিটরদের কাজ। একজন ভিডিও এডিটর ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যারের সাহায্যে কারিগরি জ্ঞান ও সৃজনশীলতার মিশেলে ভালো ভিডিও উপহার দেন।
কাজের ক্ষেত্র :টিভি চ্যানেলে কাজ এখন সবচেয়ে আকর্ষণীয়। দেশে এখন ২৫টিরও বেশি টিভি চ্যানেল রয়েছে। সবগুলো টিভি চ্যানেলেই প্রয়োজন দক্ষ এডিটরের। টিভি চ্যানেলগুলোতে সংবাদের পাশাপাশি অসংখ্য অনুষ্ঠান, নাটক, ম্যাগাজিন প্রচারিত হয়। এসব অনুষ্ঠান টিভি চ্যানেল ছাড়াও প্রযোজনা সংস্থাও নির্মাণ করে থাকে। এ ছাড়া টেলিভিশনে প্রচারিত বিজ্ঞাপনসমূহ নির্মাণ করে থাকে বিভিন্ন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। ফুলটাইম এবং পার্টটাইম দু’ভাবেই ভিডিও এডিটর হিসেবে কাজ করা যায়। কেউ চাইলে অন্য চাকরির পাশাপাশি ফ্রিল্যান্স কাজ করতে পারেন ভিডিও এডিটর হিসেবে। ০১৬৭৮০২৯৭২৪, ০১৯১৯০৪২১১১ নম্বরে ফোন করে এই বিষয়ে ক্যারিয়ার নিয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন।
যোগ্যতা ও আয়:ন্যূনতম এইচএসসি পাস হলে সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ নিয়ে ভিডিও এডিটর হিসেবে ক্যারিয়ার গড়া যায়। টেলিভিশনের বিভিন্ন অনুষ্ঠান সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকতে হবে। একজন ভিডিও এডিটরকে চোখ রাখতে হয় দেশ-বিদেশের টিভি পর্দায়। বেতনও ভালোই পেয়ে থাকেন এডিটররা। সঠিক প্রশিক্ষণ নিয়ে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি পাওয়া সম্ভব শুরুতেই।
কোথায় শিখবেন :সম্ভাবনাময় এ সেক্টরে দক্ষ জনবল তৈরিতে ইজি কমিউনিকেশন চালু করেছে প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং কোর্স। বিভিন্ন টেলিভিশনে কর্মরত দক্ষ ভিডিও এডিটরগণ কোর্স পরিচালনা করবেন। যোগাযোগ :১৮০-১৮১ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণি (৬ষ্ঠ তলা), বিজয়নগর, ঢাকা।
