নাটোরের গুরুদাসপুরে পৃথক ঘটনায় আবুল বাশার (৩৬) ও আমেনা (২৫) নামে দুইজনকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, উপজেলার বিলহড়িবাড়ি গ্রামে পারিবারিক পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বুধবার দুপুরে প্রতিবেশী কয়েকজনের নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত বাশারের বাড়িতে ঢুকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে। এক পর্যায়ে বাশারকে ফলাবিদ্ধ করা হয়। গুরুদাসপুর হাসপাতালের চিকিত্সক প্রসাদ কুমার জানান, ফলাবিদ্ধ হওয়ার পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়। অপরদিকে গুরুদাসপুর পৌরসভার খামারনাচকৈড় মহল্লার একটি বাসায় মঙ্গলবার রাতে আমেনা নামে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আমেনা তার স্বামী সেলিমের সাথে ঐ বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। সেলিম একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করেন। ঐ ঘটনার পর সেলিম পলাতক রয়েছেন। আমেনা পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার ডাঙ্গামাছ গ্রামের আবুল কাশেমের মেয়ে। সেলিমের বাড়িও একই গ্রামে। আমেনার ভাই আমিরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, গত ফ্রেব্রুয়ারিতে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সেলিম যৌতুকের দাবিতে তার বোনের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালাতেন। অনেক বুঝিয়ে আমেনাকে স্বামীর সাথে পাঠানোর পর মঙ্গলবার রাতে আমেনাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। গুরুদাসপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. মফিজুল হক দুইটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নিশ্চিত করেছেন।
গাজীপুর প্রতিনিধি জানান, গাজীপুরে এক যুবককে (৩০) জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। তার পরিচয় পাওয়া যায়নি। বুধবার সকালে গাজীপুর জেলা সদরের জোলারপাড় থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জোলারপাড়ের গনিরটেক ঈদগাহ মাঠের পাশের ফাঁকা জায়গায় ভোরে লাশ পড়ে থাকতে দেখে এলাকার লোকজন জয়দেবপুর থানায় খবর দেয়। সকালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে গাজীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। জয়দেবপুর থানার এসআই আব্দুল বাসেদ জানান, ঐ যুবকের মুখ কাপড় দিয়ে বাঁধা রয়েছে। তার পরনে জিন্সের প্যান্ট, গায়ে সবুজ সোয়েটার ও সাদা গেঞ্জি ছিল।
