সপ্তাহব্যাপি একটানা শৈত্যপ্রবাহ ও প্রচণ্ড ঠাণ্ডার কবলে পড়েছে ব্রহ্মপুত্র নদ বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলের নিম্নআয়ের মানুষ। ঘনকুয়াশা আর শীতের কারণে খেটে খাওয়া মানুষ কাজে যেতে পারেনি। এতে জনজীবন হয়ে পড়েছে বির্পযস্ত। রাতের মতো দিনের বেলায় ঘনকুয়াশা পড়ছে।
প্রকাশ, শীতে শিশু ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে বেশি। এদিকে সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত শীতবস্ত্র বিতরণের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। রাজীবপুরের মদনের চরের দিনমজুর বাহার আলী বলেন, ‘জারত ঘর থিকা বাড়ানো যায় না। কামলা দিব কিবা কইরা।’ হুরমুজ আলী বলেন, ‘আমি গরিব মানুষ কামলা দিয়া খাই। লেপ তোষক আমগর স্বপ্নের মতো। ঘরে বাচ্চাকাচ্চা নিয়া খুব কষ্টে আছি।’ ব্রহ্মপুত্র নদের বুকে প্রায় অর্ধশত চরাঞ্চল রয়েছে। এসব চরে প্রায় এক লাখ মানুষের বাস। যাদের ৯০ ভাগ মানুষই দিনমজুর খাটে বলে জানালেন চিলমারীর অষ্টমীর চর ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন। তিনি চরের দুস্থ শীতার্তদের জন্য শীতবস্ত্র বিতরণের দাবি জানান।
রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান জানান, চরের দুস্থদের জন্য শীতবস্ত্র চেয়ে আবেদন জানানো হয়েছে।
