বিএনপি আপাতত বড় কর্মসূচি দিচ্ছে না

আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:২৯
বিএনপি আপাতত: বড় কোন কর্মসূচি দিচ্ছে না। গতকাল এমনই ইঙ্গিত দিলেন বিএনপি নেতা তরিকুল ইসলাম। আগামী ২৬ ডিসেম্বরের আগে হরতালের মত কোনো বড় কর্মসূচি দিতে চাচ্ছে না বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম বলেছেন, তবে নির্দলীয় সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবি না মানলে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মুক্তি দেয়া না হলে এবং সরকার বাধ্য করলে এই সময়ের আগে-পরেও কঠিন কর্মসূচি দিতে তারা বাধ্য হবেন। এমনকি তখন যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতেও বাধ্য হবে ১৮ দল। হরতাল কর্মসূচি শেষে গতকাল রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি সরকারের উদ্দেশে এ হুঁশিয়ার দেন। তরিকুল ইসলাম বলেন, খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার করা হলে আমরা নিশ্চয়ই বসে-বসে ললিপপ চুষব না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনার বক্তব্যে ছাত্রলীগ-যুবলীগের সন্ত্রাসীরা উত্সাহিত হচ্ছে। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগও দাবি করেন। আপাতত হরতাল বা এ ধরনের কোনো কর্মসূচি না দেয়ার কথা জানিয়ে তরিকুল বলেন, শুক্রবার থেকে আমাদের বুদ্ধিজীবী হত্যা ও বিজয় দিবসের কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ২৩ ও ২৬ ডিসেম্বর কর্মসূচি রয়েছে। হরতাল প্রত্যাহারে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের আহ্বানের প্রতিক্রিয়ায় তরিকুল ইসলাম বলেন, আমরা হরতাল দিতে চাই না, হরতাল দিলে ক্ষতি হয়, ব্যবসায়ী সমাজও হরতালের বিরোধিতা করেন। মুক্তিযোদ্ধার দল হিসেবে আমরাও বিজয়ের মাসে হরতাল দিতে চাইনি। কিন্তু সরকার নির্যাতন চালিয়ে আমাদের হরতাল করতে বাধ্য করছে। সংবাদিক সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- আবদুল্লাহ আল নোমান, সাদেক হোসেন খোকা, বরকতউল্লাহ বুলু, রুহুল কবির রিজভী, মজিবুর রহমান সরোয়ার, জয়নুল আবদিন ফারুক, আবদুস সালাম, এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, হারুন অর রশীদ, নাজিম উদ্দিন আহমেদ, রেহানা আখতার রানু, শাম্মী আখতার, নিলোফার চৌধুরী মনি, শিরিন সুলতানা ও হাবিব-উন নবী খান সোহেল প্রমুখ।