সাম্প্রতিক সময়ে নতুন প্রজন্মের কাছে ক্যারিয়ার গঠনে বিশেষভাবে গ্রহণযোগ্য কর্মক্ষেত্র বহুজাতিক কোম্পানি, কর্পোরেট অফিসে উচ্চ বেতনে বিশেষ করে চিফ ফিন্যান্স অফিসার, অডিটর, অ্যাকাউন্টিং পার্টনার, ফিন্যান্স ডিরেক্টর, সিনিয়র ইন্টারনেল অডিটর, বিজনেস অ্যাডভাইসর প্রভৃতি। আর এসব পদে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে তারা সম্পন্ন করছে সময়োপযোগী কোর্স এসিসিএ, সিএটি, এফআইএ প্রভৃতি। এগুলো সাধারণত প্রফেশনাল কোর্স। ডিগ্রি নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ধারাবাহিকতার প্রয়োজন থাকলেও এসব প্রফেশনাল ডিগ্রি সম্পন্ন করতে কোন বিভাগ থেকে পাস করেছে সেটি কোনো প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায় না। বরং যেকোনো বিষয় থেকে পাস করা শিক্ষার্থী এটি করে অ্যাকাউন্টেন্ট হতে পারে। আর এই কোর্সটি সম্পন্ন করে বিশ্বের যেকোনো দেশে চাকরি করা যায়। ক্যারিয়ার গড়তে প্রফেশনালদের কাছে এসব কোর্সের চাহিদা সবচেয়ে বেশি।
সার্টিফাইড অ্যাকাউন্টেন্টস (এসিসিএ) এবং সার্টিফাইড অ্যাকাউন্টিং টেকনিশিয়ান (সিএটি) দুটিই প্রফেশনাল কোর্স।
বছরে জুন ও ডিসেম্বরে দুইবার ব্রিটিশ কাউন্সিলে একসাথে একটি থেকে চারটি বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়া যায়। তবে কম্পিউটার বেজড পরীক্ষা বছরের যেকোনো সময় যেকোনো দিন হতে পারে। যদি কেউ একটি বিষয়ে ফেল করে তবে শুধু ওই বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে পারে। এসিসিএ বিষয়ে ১০০ নম্বরে পরীক্ষার্থী ৫০ পেলেই পাস করে। শিক্ষার্থীর বিবিএ সম্পন্ন করা থাকলে ৩টি পেপারের ৩০০ নম্বর, কমার্সের যেকোনো বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করা বা এমবিএ করা থাকলে প্রথম ১-৪টি পেপার ৪০০ নম্বর পর্যন্ত অব্যাহতি পায়। তবে কারও অনার্স, মাস্টার্স, সিএ, আইসিএমএ কোয়ালিফিকেশন থাকলে ৯টি বিষয় পর্যন্ত অব্যাহতি পেতে পারে। এ বিষয়ে আরও জানতে যোগাযোগ করতে পারেন এই নম্বরে :৮১৪১৬০১, ০১৭৩৩০২৭৫২১।
এসিসিএতে মোট পেপার ১৪টি (১৪০০ নম্বর)। কোনো শিক্ষার্থী বছরে ৩টি করে পাস করলে প্রায় সাড়ে ৪ বছর আর ৪টি করে পাস করলে লাগবে সাড়ে ৩ বছর। এসিসিএ অনার্স ইন অ্যাপ্লাইড অ্যাকাউন্টিং ৯টি পেপার ৯০০ নম্বর। এটি প্রতি বছর ৩টি পেপারে পাস করে সর্বোচ্চ ৩ বছর এবং ৪টি করে আড়াই বছরে পাস করা যায়। দেশে বসেই পার্ট-২ এবং পার্ট-৩ পাস করা সম্ভব। এ দেশে মাস্টার্স শেষ করে যে মানের চাকরি পাওয়া যায়, এই ডিগ্রি অর্জন করে দেশে ও দেশের বাইরে তার চেয়ে কয়েক গুণ ভালো মানের চাকরি পাওয়া যায়।
বাংলাদেশে এ ডিগ্রি পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজ অন্যতম। সম্পূর্ণ পেশাদারিত্বের মাধ্যমে এই কোর্সটি পরিচালনার জন্যে তাদের রয়েছে চমত্কার সেটআপ ও এসিসিএ কর্তৃক গোল্ড অ্যাপ্রুভাল। সিইউসি’র ছাত্রছাত্রী সংখ্যা বেশি হওয়ায় ব্রিটিশ কাউন্সিল এ প্রতিষ্ঠানেরর জন্য পৃথক ব্যাচে পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছে এবং কম্পিউটার বেজড এক্সাম (সিবিই) ব্যাচের পরীক্ষা এদের নিজস্ব ক্যাম্পাসে এক হাজার টাকা কম ফি দিয়ে দেওয়া যাচ্ছে। এদের রয়েছে একাধিক ক্যাম্পাস। যোগাযোগ :বাড়ি-৫১, রোড-১০/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা।
