ক্ষেতলালে যৌন হয়রানির অভিযোগে প্রধান শিক্ষক সাসপেন্ড

আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর ২০১২, ২০:৪৭
জয়পুরহাটে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে বুধবার তদন্ত শেষে দোষী প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাসহ তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার যৌন হয়রানির অভিযোগে স্থানীয় অভিভাবকরা অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে গণধোলাই দিলে তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার নসিরপুর দৌলতগাজি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যৌন হয়রানির এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, অবিবাহিত প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমান দীর্ঘদিন থেকে ওই বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির উক্ত ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করে আসছে। বুঝতে পেরেও লজ্জায় সে বাবা-মাকে কোন অভিযোগ করেনি। কিন্তু মঙ্গলবার সহকারী শিক্ষকের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে প্রধান শিক্ষক ওই ছাত্রীকে পাঠদান করার নাম করে অনৈতিক আচরণ করলে সহপাঠী সুরাইয়া ও মৌসুমী দেখে ফেলে। এ অবস্থায় তারা বাড়ি গিয়ে মা-বাবাকে জানালে বিষয়টি জানাজানি হয়। ঘটনাটি জানার পর ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় অভিভাবক এবং গ্রামবাসী প্রধান শিক্ষককে তিন দফায় মারপিট করে। খবর পেয়ে ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশ পেয়ে বুধবার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিষয়টি তদন্ত করে রিপোর্ট পেশ করেন। যার প্রেক্ষিতে ওইদিনই জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নির্দেশে বিভাগীয় মামলাসহ দোষী শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হোসেন আলী বলেন, তদন্ত রিপোর্টে যৌন হয়রানির অভিযোগের সত্যতা পেয়ে সাময়িকভাবে বরখাস্তসহ দোষী ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বুধবার বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে।