বিশেষ প্রতিনিধি
জঙ্গিবিরোধী জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গতকাল রবিবার থেকে গণসংযোগ সপ্তাহ শুরু করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। গণসংযোগ চলবে আগামী ৪ মে পর্যন্ত। এর অংশ হিসেবে ডিএমপির ৫০টি থানায় সংশ্লিষ্ট বিট অফিসার এলাকাবাসীকে নিয়ে উঠান বৈঠক করবেন। কমিউনিটি পুলিশের মাধ্যমে সভার আয়োজন করা হবে। পাড়ামহল্লার পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ সভার আয়োজন করা হবে। সভায় সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদক নির্মূলে পুলিশের পদক্ষেপ ও জনগণের করণীয় বিষয়ে আলোচনা হবে।
গতকাল রবিবার ছিল গণসংযোগ সপ্তাহের প্রথম দিন। এর অংশ হিসেবে ডিএমপির গুলশান বিভাগের সকল হোটেল মালিকের সাথে হোটেলের নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য মতবিনিময় করেন উপ-পুলিশ কমিশনার এস এম মোস্তাক আহমেদ খান। এ সময় নিরাপত্তার স্বার্থে হোটেলে মেটাল ডিটেক্টর, আর্চওয়ে এবং সিসিটিভি স্থাপন করে হোটেলের নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া হোটেলের কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে সঠিকভাবে পরিচয়পত্র, ঠিকানা যাচাই করে, প্রয়োজনে পুলিশের মাধ্যমে ভেরিফাই করে নিয়োগ করার জন্য বলা হয়।
উত্তরা বিভাগের উত্তরা পশ্চিম থানার উদ্যোগে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মতিঝিল বিভাগ মুসল্লিদের নিরাপত্তার স্বার্থে বায়তুল মোকাররম মসজিদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় প্রবেশের ক্ষেত্রে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ সময় প্রত্যেক মুসল্লির দেহ তল্লাশি করে মসজিদে প্রবেশ করানো হয়। এছাড়াও নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পুলিশের দৈনন্দিন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ ও অন্যান্য ক্রাইম বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ সময় বিভিন্ন যানবাহন ও ব্যক্তির সাথে থাকা ব্যাগ, প্রয়োজন সাপেক্ষে দেহ তল্লাশি করা হয়।
