আবুল হাসান ফজলে রাব্বি

আপডেট : ১৬ ডিসেম্বর ২০১২, ১৯:১৮
আবুল হাসান ফজলে রাব্বি ডাক নাম :জামাল জন্মতারিখ ও স্থান :১২ নভেম্বর ১৯৮২, কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর থানায়। মায়ের নাম :নাজমা আক্তার বাবার নাম :আ ন ম ছফিউল্লাহ প্রথম স্কুল :পাকুন্দিয়া কিন্ডার গার্ডেন প্রিয় মানুষ :মা ও বাবা প্রিয় উক্তি :সার্থক জন্ম আমার জন্মেছি এই দেশে, সার্থক জন্ম মাগো তোমায় ভালোবেসে। প্রিয় পোশাক :শার্ট ও প্যান্ট অবসর কাটে যেভাবে :বই পড়ে সাফল্যের সংজ্ঞা :যে কাজটা করছি সেটা সফলভাবে করতে পারা, সেই কাজটার একটা সফল সমাপ্তি। ছেলেবেলা থেকেই খুব বেশি মানুষের মাঝে থাকতে ভালোবাসতেন, কথায় মুখর করে রাখতেন পরিবারের সবাইকে আর বন্ধুদেরও। আর সেটা বাস্তবে ধরা দিল যখন প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেলেন। শুরু হলো অনেক মানুষের সাথে ওঠাবসা। পড়াশোনা শেষ করে কয়েক জায়গাতে কাজ করে নিজের অভিজ্ঞতার ঝুলিটাও সমৃদ্ধ করে নেন তিনি। আর এখন কাজ করছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজে (ডিসিসিআই)। ২০০৮ সালের জুন মাসের কথা, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের জনসংযোগ কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করতেন তার গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সিনিয়র ভাই। তিনি একদিন ফোনে জানালেন তাদের অফিসে একজন তরুণ জনসংযোগ কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। তারপর এখানে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার উর্ত্তীণ হওয়ার মাধ্যমে কর্মজীবনে প্রবেশ। শুনছিলেন ফজলে রাব্বির কথা, তার এই পথ ধরে এগিয়ে যাওয়ার কথা। কেন এই পেশা বেছে নিলেন? জানতে চেয়েছিলাম প্রজন্মের মেধাবী জনসংযোগ কর্মকর্তার কাছে, সহজেই বলে দিলেন তিনি, এ পেশাটা তাদের পড়াশোনার ব্যাকগ্রাউন্ডের সাথে অনেকটাই মিলে যায়। আর এখানে অনেক ধরনের মানুষের সাথে একত্রে কাজ করার সুযোগ হয়, অনেক মানুষকে জানার সুযোগ হয়, স্বাভাবিকইভাবেই তাই আগ্রহ নিয়ে কাজ করতে এসেছিলেন ফজলে রাব্বি, আর এখন সেটা যারপরনাই উপভোগ করছেন। তার কথাতে, ‘এই পেশায় কাজ করার মজাই আলাদা। প্রায়ই প্রতিদিনই নতুন নতুন বিষয়, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাথে পরিচত হওয়ায় যায়। পাশাপাশি তাদের কাজের ধরন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।’ তরুণ এই কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছিলাম, পেশা হিসেবে এটা আমাদের দেশে কতটা উপযোগী? বললেন, ‘এ পেশার উপযোগী পরিবেশ এখনও বাংলাদেশে সেভাবে গড়ে ওঠেনি—এটা যেমন ঠিক, তেমনি বলা যায়, দিনকে দিন মানুষের মিডিয়া নিয়ে অনেক আগ্রহ তৈরি হচ্ছে এবং প্রচারের ধরনও পাল্টাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতেই এই মাধ্যমে আমরা আরও সফল হব, বলাই বাহুল্য।’ নতুনদের কাজের সম্পর্কে মূল্যায়ন করতে গিয়ে ফজলে রাব্বি বলেন, ‘তারা ভালো করছে। তবে গণমাধ্যম ও নিউজ সেন্স সম্পর্কে আরও ভালো ধারণা থাকলে তারা আরও ভালো করতে পারবে। একই সাথে কিন্তু সব শ্রেণী-পেশার মানুষের সাথে যোগাযোগ থাকাটাও জরুরি। তাদের সাথে কথা বলতে হবে, তাদেরকে জানতে হবে।’ ফজলে রাব্বির শৈশব কেটেছে কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলায়। বাবার পাকুন্দিয়া ডিগ্রি কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে শিক্ষকতা করছেন। পরিবারে বাবা, মা, দুই ভাই ও দুই বোন রয়েছে। তারা স্ব স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। ফজলে রাব্বি স্বপ্ন দেখেন, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে কাজ করবেন। এর মাধ্যমে তার দেশকেও তিনি সবার কাছে তুলে ধরতে পারবেন, এমনটাই প্রত্যাশা আমাদের।