প্র জ ন্ম স ং বা দ

চীনে বাংলাদেশি তরুণদের সাফল্য

আপডেট : ১৬ ডিসেম্বর ২০১২, ১৯:২০
প্রতিযোগিতার আসরটা বসেছিল চীনে। বিভিন্ন পর্যায়ে চীনা সংস্কৃতির বিভিন্ন বিষয় শেখানো হয় আমাদের এবং পরে সেটা পারফর্ম করে দেখাতে হয়। কোনো দর্শনীয় স্থান ভিজিট করার পর সেটার ওপর থাকে প্রশ্নোত্তর পর্ব। চীনা ভাষা সেতু প্রতিযোগিতা আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত চাইনিজ ব্রিজ নামে। এটি চীনা ভাষায় দক্ষতাবিষয়ক একটি প্রতিযোগিতা, যেটির উদ্দেশ্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও চীনের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করা। চীনের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট (হানবান) ভাষার মান যাচাইয়ের জন্য বিশ্বব্যাপী এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। প্রথমে বিভিন্ন দেশে জাতীয় পর্যায়ে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। যারা চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ হয়, তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয় চীনে। একেক বছর একেক শহরে বসে এ আসর। এ বছর হয়েছে কুইমিংয়ে। তিনটি গ্রুপে এ প্রতিযোগিতা হয়—মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে একটি গ্রুপ, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে একটি ও চীনে অধ্যয়নরত বিদেশিদের জন্য একটি গ্রুপ। এবার বসেছিল এ প্রতিযোগিতার পঞ্চম আসর। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্বে এবারই প্রথম অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য ১৪ নভেম্বর চীনে পৌঁছান শায়ের শাবাব উত্স। বাংলাদেশ টিমে ছিল স্কলাসটিকার ছাত্রী জিনিয়া। প্রতিযোগিতা হয় ২০ ও ২১ নভেম্বর। মাঝখানে এক সপ্তাহ বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীকে খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে তাদের। এ সময়টাতে তার অনুভূতি হয়েছিল, এটা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে চ্যালেঞ্জটা বেশ ভালোভাবেই মোকাবিলা করতে পেরেছেন তারা। বাংলাদেশের ঝুলিতে জমা হয়েছে তিনটি অর্জন। বাংলাদেশ টিম ৪৭টি দেশের ৫১টি দলের মধ্যে অর্জন করেছে তৃতীয় স্থান। অ্যাশলে বার্ট ড্র্যাগ রেসিং বিষয়ে পড়াশোনা, ব্যাপারটা কেমন অদ্ভুত শোনাতে পারে। কিন্তু সত্যিই এমনটা ঘটে চলেছে প্রতিনিয়ত। তেমনই একটি স্কুলের ছাত্রী অ্যাসলে বার্ট। মাত্র ১৬ বছর বয়সে সে ড্র্যাগ রেসিং বিষয়ে পারদর্শিতা অর্জন করে। এই স্কুলে সর্বপ্রথম তাকে শেখানো হয় কীভাবে টায়ার পোড়াতে হয়। এ বিষয়ে নিজেকে একজন এক্সপার্ট প্রমাণ করার পরই পরের কৌশল শিখতে দেওয়া হয়, তার আগে না। মাত্র কয়েক মাসের প্রচেষ্টাতেই অ্যাসলে এই পুরো ব্যাপারটিতে দক্ষতা নিয়ে এসেছে। সেই সাথে রেসিং জগতে সকলের কাছে সে ‘ড্র্যাগরেসিং রানি’ হিসেবে অতি পরিচিত একজন। তিনি ট্যালেন্টেড, ফিট ও নির্ভীক। সেই সাথে অদম্য গতি ও দক্ষতা নিয়ে সে দুর্জয়। তার সাথে যারা রেস করে এসেছেন, তাদের সকলেরই একই মতামত অ্যাসলে সম্পর্কে। একবাক্যে সবাই বলে, ‘সি ইজ সামথিং।’ রেসিং জগতের সাথে অ্যাসলের পরিচিতিটা পারিবারিকভাবেই। তিন প্রজন্ম ধরে চলে আসছে এ ব্যাপারটি। অ্যাসলে তার ৮ বছর বয়স থেকে রেসিং শুরু করেন। একবার স্কুলে ‘কিটি ক্যাট’ নামের এক রেসিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় ছোট শিশুদের জন্য। কিন্তু একটি ছেলে রেস করতে ভয় পেয়ে যাওয়াতে অ্যাসলের বাবার কাছে অনুরোধ আসে অ্যাসলেকে দিয়ে সেই রেসটিতে অংশ নেওয়ার জন্য। সেখান থেকেই মূলত এ জগতের সাথে পরিচয় অ্যাসলের।