হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে দিনাজপুরের হাকিমপুরের হিলি স্থলবন্দর পথে ভারত থেকে প্রতিদিন শত শত টন ফল আমদানির মহোত্সব চলছে। কর্তৃপক্ষ নির্বিকার। জানা যায়, ২৯ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের দেয়া এক রায়ে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্যমিশ্রিত ফল আমদানি ঠেকাতে দেশে প্রবেশের পূর্বেই তা পরীক্ষা করার নির্দেশ প্রদান করা হবে। হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ হিলি স্থলবন্দর পথে ভারত থেকে আমদানিকৃত ফলের গুণগতমান যাচাই-বাছাইয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকলেও দেশে প্রবেশের পূর্বে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই প্রতিদিন শত শত টন কমলা, আপেল, আঙ্গুরসহ বিভিন্ন প্রকার ফল ও টমেটো দেদারসে আমদানি চলছে। এরই অন্তরালে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্যমিশ্রিত বিভিন্ন প্রকার ফল ও টমেটো আমদানির আশংকা বিরাজ করছে। এ ব্যাপারে মুঠোফোনে হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের প্রধান কর্মকর্তা আবু সাইদ মো. ফজলে এলাহী ইত্তেফাককে জানান, ফলের ফরমালিন ও অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্য মিশ্রণ নির্ণয়ের পরীক্ষার ব্যবস্থা যথেষ্ট যন্ত্রপাতি না থাকায় সঠিকভাবে পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে ফল সাধারণভাবে পরীক্ষা করে প্রত্যয়নপত্র প্রদান করা হয়। তিনি আরও বলেন, সরকার দেশের ২০টি স্থলবন্দরের জন্য ইতোমধ্যে ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। শিগগিরই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি পাওয়া যাবে। তখন সঠিকভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। হিলি স্থলবন্দরের সহকারী কমিশনার (এসি) নাজিউর রহমান মিয়ার নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ পথে আমদানিকৃত ফল খাবারের গ্রহণযোগ্যতার সার্টিফিকেট হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ দিয়ে থাকেন। আর এরপরই তা ছাড় দেয়া হয়ে থাকে।
