কাঁদলেন ওবামা

আপডেট : ১৬ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:৩১
যুক্তরাষ্ট্রে এমন বন্দুকহামলা খুব নতুন কিছু নয়। কখনো স্কুল কখনো শপিংমল কখনো সিনেমা হল, কখনো কোনো বহুতলে ঢুকে পড়ে বিকৃতমস্তিষ্কের আততায়ী, সঙ্গে আগ্নেয়াস্ত্র। কিন্তু ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’ নামে খ্যাত গত শুক্রবারে স্কুল শিশুদের এমন বেদনাবিধুর হত্যা-ঘটনায় সংবাদমাধ্যমের সামনে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা নিজেকে আর সামলে রাখতে পারেননি। হোয়াইট হাউসে সংক্ষিপ্ত এক সংবাদ সম্মেলন কাঁদলেন তিনি, ছোট্ট শিশুদের জন্য। তিনি শোক প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, ‘আমাদের হূদয় আজ ভেঙে গেছে। ঘাতক যে বা যারাই হোক রাজনৈতিক বিবেচনা দূরে রেখে উচিত পদক্ষেপ নেয়া হবে।’ ওবামা বলেন, ‘যেসব শিশুকে হত্যা করা হয়েছে তাদের বেশির ভাগই ছোট্ট ছোট্ট শিশু। তাদের বয়স ৫ থেকে ১০ বছর। তাদের সামনে পুরোটা জীবন পড়েছিল; তাদের জন্মদিন, গ্র্যাজুয়েশন, বিয়ে, নিজের মতো করে একটি সংসার।’ এই নির্মম ঘটনায় ওবামা আগামী ১৮ই ডিসেম্বর সূর্যাস্ত না হওয়া পর্যন্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশ দেন। এক সঙ্গে এতগুলো শিশুর প্রাণহানিতে শুধু যুক্তরাষ্ট্রই শোকে আচ্ছন্ন নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে নিন্দা জানানো হয়েছে। শোক প্রকাশ করা হয়েছে। ওই ঘটনায় রক্ষা পেয়েছে বাংলাদেশী একমাত্র ছাত্র মামনুন আহমেদ। আমেরিকান পার্লামেন্টে এত দিন রিপাবলিকানদের প্রবল বিরোধিতায় অস্ত্র বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নিতে পারেননি প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। কিন্তু প্রেসিডেন্টের ভাষায়, ‘২০ জন নিষ্পাপ শিশুর জীবনহানি হয়তো মার্কিন রাজনীতিবিদদের মানসিকতা বদলাবে।’ ডিসেম্বরের সন্ধ্যাবেলা তুষারপাতের মাঝেও হোয়াইট হাউসের সামনে কয়েক হাজার মানুষের মোমবাতি মিছিল অন্তত তেমনই দাবি তুলে দিয়েছে। বহুবার আমেরিকান পার্লামেন্টে আলোচনা হয়েছে কঠোর অস্ত্র আইন বলবত্ করার জন্য। কিন্তু প্রতিবারই রিপাবলিকানদের জন্য তা করা যায়নি। ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশন ও তীব্র বিরোধিতা করেছে কড়া অস্ত্র আইনের। অনুষ্টুপ অনু