সুনামগঞ্জে নৌপথে ব্যাপক চাঁদাবাজি

আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:১০
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ ও তাহিরপুর উপজেলার নদী দিয়ে যাতায়াতকারী বালু ও কয়লাবাহী নৌযান থেকে চাঁদা আদায় করছে ৬টি সংঘবদ্ধ চক্র। জামালগঞ্জ উপজেলার দুর্লভপুর থেকে বালু ও তাহিরপুর উপজেলার বড় ছড়া শুল্ক স্টেশন থেকে কয়লাবাহী নৌযান দেশের বিভিন্ন স্থানে যাওয়ার সময় ৬টি স্থানে এ সকল চাঁদা আদায় করা হয়। প্রতিদিন এ নদীপথে যাতায়াতকারী দুই শতাধিক নৌযান থেকে ৬টি স্থানে প্রায় দুই লাখ বিশ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করা হয়। পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, টাকা আদায় করতে চাঁদাবাজরা নৌকা ও দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত থাকে। নৌযানের মাঝি টাকা দিতে না চাইলে তাদেরকে মারধর করা হয়। জামালগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী ৫টি স্থান থেকে ৫টি সংঘবদ্ধ চক্র জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করে আসছে। দুর্লভপুর থেকে বালুবাহী নৌযান আটকে টাকা আদায় করা হয় উপজেলার বেহেলী ইউনিয়নের বেহেলী বাজার সংলগ্ন, মাহমুদপুর গ্রাম সংলগ্ন দুইটি স্থান থেকে। আহসানপুর গ্রামসংলগ্ন বৌলাই নদী ও ফেনারবাক ইউনিয়নের সীমান্তপুর-গজারিয়া গ্রামসংলগ্ন ধনু নদীতে নৌযান আটকিয়ে টাকা আদায় করা হয়। পুলিশ জানায়, মাহমুদপুর গ্রাম থেকে চাঁদা আদায়কারীরা হলেন এক গ্রুপে শামসুজ্জামান, স্ট্যালিন, সাইফুররহমান অন্য গ্রুপে আলকু মিয়া, হাবলু, এমদাদুল। সীমান্তপুর গজারিয়া থেকে রফিকুল, সাইফুল মিয়া, রাজা মিয়া এবং আহসানপুর থেকে মাছুম ও তার দল চাঁদা আদায় করে থাকে। সম্প্রতি, জামালগঞ্জ পুলিশের হাতে আটককৃতরা হলো জহিরুল হক, তকদার মিয়া, আলিক মিয়া, সাইফুল মিয়া, প্রিয়রঞ্জন রায়। এদের সবাই জামালগঞ্জ উপজেলার বেহেলী ইউনিয়নের বেহেলী গ্রামের বাসিন্দা।