ছায়ানটের শুদ্ধসঙ্গীত উত্সব বৃহস্পতিবার

আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:১৫
ছায়ানটে দুই দিনব্যাপী শুদ্ধসঙ্গীত উত্সব শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার । ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ছায়ানট মিলনায়তনে উত্সবের উদ্বোধন করবেন সঙ্গীতগুণী ও তবলার গুরু মদনগোপাল দাশ। উত্সবে ঢাকা ও চট্টগ্রামের প্রবীণ ও নবীন শিল্পীর পাশাপাশি মুম্বাইয়ের বিশিষ্ট বীণাবাদক ওস্তাদ বাহাউদ্দিন ডাগর ও কলকাতার কণ্ঠশিল্পী অর্ণব চ্যাটার্জী অংশ নেবেন। উদ্বোধনী দিন ছায়ানটের শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত কণ্ঠের গানে অনুষ্ঠান শুরু হবে। চলবে রাত ১১টা পর্যন্ত। পরদিন শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় অধিবেশন শুরু হয়ে চলবে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। এ দিন আবার অধিবেশন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শুরু হয়ে চলবে ভোর ৫টা পর্যন্ত। ছায়ানট সংস্কৃতি ভবনে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে গতকাল সোমবার এসব তথ্য জানান ছায়ানটের সাধারণ সম্পাদক খায়রুল আনাম শাকিল। এ সময় ছায়ানটের শুদ্ধসঙ্গীত বিভাগের সঙ্গীতগুরু অসিত দে ও অনুপ বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন। নাসির আলী মামুনের সংগ্রহ থেকে প্রদর্শনী তারা প্রত্যেকেই স্ব-নামে পরিচিত। নিজ নিজ ক্ষেত্রে অবদান রেখে প্রতিটি মানুষই বিখ্যাত। এসব গুণী মানুষের আঁকা চিত্রকর্ম নিয়ে এক ব্যতিক্রমী প্রদর্শনী আজ বেঙ্গল শিল্পালয়ে শুরু হবে। প্রখ্যাত আলোকচিত্র শিল্পী নাসির আলী মামুনের সংগ্রহে থাকা এসব চমকপ্রদ চিত্রকর্মগুলো এবার দর্শকরা দেখতে পাবেন। জয়নুল আবেদিন, পরিতোষ সেন, কামরুল হাসান, এসএম সুলতান, মোহাম্মদ কিবরিয়া, আমিনুল ইসলাম, মুর্তজা বশীর, কাইয়ুম চৌধুরী, আবদুর রাজ্জাক, শাহাবুদ্দিনসহ বাংলাদেশ ও ভারতের ৩৭ জন স্মরণীয়-বরণীয় শিল্পীদের পাশাপাশি কবি শামসুর রাহমান, কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদ, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, কবি নির্মলেন্দু গুণের আঁকা ছবি ঝুলছে এখন বেঙ্গল গ্যালারির দেয়ালজুড়ে। প্রদর্শনীতে মোট ১০১টি চিত্রকর্ম স্থান পেয়েছে। ‘তার আলো তার ছায়া’ শিরোনামে আটদিনের এই প্রদর্শনী আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬ টায় ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয়ে উদ্বোধন করবেন অ্যামেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। বিশেষ অতিথি থাকবেন শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের বিজয় উত্সব বিজয় উত্সবের নবম দিন গতকাল সোমবার রাজধানীর দুটি মঞ্চে ছিল সাংস্কৃতিক আয়োজন। এদিন ছিল গান, নাচ ও পথনাটক পরিবেশনা। মিরপুরের ১০ নম্বর গোলচত্বরে স্থাপিত মঞ্চে একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন কাজী মিজানুর রহমান, আমিনুল ইসলাম প্রমুখ। দলীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে সপ্তডিঙ্গা ও ঝিনুক শিশু-কিশোর সংগঠন। দলীয় নাচ পরিবেশন করে আনন্দলোক। পথনাটক মঞ্চস্থ করে মুক্তমঞ্চ থিয়েটার, অপেরা ও বাংলা কলেজ যুব থিয়েটার। আগামী ২৮ ডিসেম্বর রাজশাহী ও ২৯ ডিসেম্বর কক্সবাজারের রামুতে উত্সবের সমাপনী হবে।