কবিতা

আপডেট : ১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ১৮:২৫
বাংলার বীর জাহাঙ্গীর হাবীবউল্লাহ দুম-দুম ফটা-ফট শব্দের ঢেউ ভয় করে চুপচাপ থাকে নাই কেউ। দেশে থেকে পরবাসী খালি থাকে ঘর রাইফেল হাতে নিতে দৃঢ় অন্তর। মুক্তির দিশারী যে বাংলার বীর শঙ্কিত নয় তারা নয় নত শির। যুদ্ধের মাঝ থেকে এনেছিল জয় স্বাধীনতা এলো তাই নেই আর ভয়। --- হূদয় জুড়ে খান চমন-ই-ইলাহি বাড়ির কাছে মধুমতী চলছে ছুটে ওই— জলের ধারা মাঝির গানে আমরা গাঁয়ে রই। গাঁওতো নয় সোনার ছবি, হূদয় জুড়ে আঁকা রাখবো তারে চোখের তারায় দুলবে সবুজ শাখা। আশার আলো ছড়িয়ে দিলাম সকল কাজের মাঝে— নীল আকাশের স্বপ্ন বুনি সকাল বিকাল সাঁঝে। --- স্মরণে মো. মনির তালুকদার কৃষক তাঁতী মজুর জেলে দামাল যারা ছিলো, রাঙা সূর্য কেড়ে আনতে নিজের জীবন দিলো। লাল-সবুজের ঘাসের বুকে লক্ষ শহীদ ভাসে, মুক্ত মনে স্বাধীন বাংলা পূর্ণ আলোয় হাসে। রক্ত ঝরা যুদ্ধে এ দেশ স্বাধীন করলো তাই, মনের মাঝে রাখবো তাদের ভুলব নারে ভাই। ---- বীর বাঙালি মোহাম্মদ মুন্নু সদস্য নম্বর: ৩০১৫ স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর সকল বাঙালি প্রাণ বুকেতে তাদের অনেক আশা কণ্ঠে মুক্তির গান। সোনায় ভরা সোনার গড়া সোনা চারিদিক— বর্গী এসে লুটে নেয় সব— ধিক তাদের ধিক। আমরা হলাম বীর বাঙালি বাংলা মোদের ভাষা প্রাণ দেবো তো মান দেবো না, দৃঢ় ঐক্য-আশা। কৃষক-শ্রমিক, মজুর যুবা সবাই ছাড়লো গেহ যুদ্ধে উদিল নতুন সূর্য রক্তে রাঙানো দেহ। ধপাস ধপাস ক্রিং ক্রিং কান ফাটানো শব্দ হানাদারগুলো বাঙালির কাছে হলো ভাই জব্দ। ---- দুষ্টু বিড়াল মিকাইল আহমেদ দুষ্টু বিড়াল মজনতালি, মিথ্যে কথা বলে খালি। দুষ্টুমি সে জানে যত, ভয়-ডর তার কম তত। মন বসে না লেখাপড়ায়, গেমস খেলে সময় কাটায়। বই খাতা সব তুলে রেখে, কম্পিউটার দেখে দেখে এমনি করেই তার দিন কাটে, পথে পথে খেলার মাঠে। পরীক্ষা আসে বছর শেষে, বুকটা কেঁপে ভয়ে মেশে। তৃতীয় শ্রেণী, সানবিমস স্কুল, ঢাকা। --- বৃষ্টি জাকিয়া তাসনিম দীবা বাদল ভরা গভীর মেঘে হচ্ছে এখন বৃষ্টি, কোথা থেকে হল এই আবহাওয়া সৃষ্টি। বৃষ্টি পড়ে এই আঁধারে ঝম ঝমা ঝম গুনিয়ে, চমকে দেয় ওই ভয়ানক বিজলির আওয়াজ শুনিয়ে। এই বৃষ্টিতে না পাই দেখা চতুর্দিকে কালো— অপেক্ষায় বসে আছি ফুটবে কখন আলো। দ্বিতীয় শ্রেণি অগ্রণী স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা।