আরো দেড়হাজার বসতি নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে ইসরাইল

আপডেট : ১৮ ডিসেম্বর ২০১২, ২০:০৫
ইসরাইল আরো ১ হাজার ৫শ নতুন বসতি স্থাপনের পরিকল্পনার অনুমোদন দিয়েছে। পূর্ব জেরুজালেমের বর্ধিত অংশে এ বসতি নির্মাণ করা হবে। এদিকে বিষয়টি নিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের কাছে যাবে বলে ফিলিস্তিনিদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ইসরাইলের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইরফাত ওরবেক সোমবার বলেন, মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা কমিটি বসতি নির্মাণের এ বিষয়টি ডেভোলপারদের কাছে দিয়েছেন দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য। তারা পূর্ব জেরুজালেমের রামাত শোলোমোতে এ বসতি নির্মাণ করবেন। প্রথম অবস্থায় এটি ১ হাজার ৬০০ বসতি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয় । পরে তা কাটছাঁট করে ১ হাজার ৫ শ’তে নামানো হয়। এ ধরনের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সম্পর্কে চিড় ধরাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ২০১০ সালে ইসরাইলে তত্কালীন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তেল আবিবের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এসময় তারা ফিলিস্তিন-ইসরাইল শান্তি আলোচনার ওপর জোর দেন। কিন্তু এ ধরনের বসতি নির্মাণের পরিকল্পনার অনুমোদন দুই দেশের সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে অনেকে মনে করছেন। তাই এতকিছুর পরও ইসরাইলের আবার বসতি নির্মাণের পরিকল্পনা হটকারী বলে মনে করছে ফিলিস্তিনিরা। ফিলিস্তিন বলেছে, তারা এ বিষয়টি নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে তাদের দাবি উত্থাপন করবেন। ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের মুখপাত্র নাবিল আবু রুদিনা সোমবার বলেন, ইসরাইলের এ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তারা অবশ্যই জাতিসংঘের কাছে যাবেন এবং এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বলবেন। তারা ইসরাইলের এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে জোর দাবি জানাবেন। এর আগে অর্থাত্ গত মাসে জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা ঘোষণা করা হলে ইসরাইল তখন ঘোষণা দিয়েছিল, পশ্চিম তীর এবং পূর্ব জেরুজালেমে আরও ৩ হাজার নতুন বসতি নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে অনেক বসতি নির্মাণ করা হবে পূর্ব জেরুজালেমের বিতর্কিত ই১ এলাকায়। সমালোচকরা বলছেন, এর ফলে পশ্চিম তীর দক্ষিণাঞ্চল থেকে আলাদা হয়ে যাবে, যা ভবিষ্যত ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য একটা মারাত্মক হুমকিস্বরূপ।