সুস্থতার জন্য ঘুম অপরিহার্য। অন্যান্য চাহিদার মতো ঘুমও শরীরের একটি স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফূর্ত চাহিদা। কিন্তু অতি নিদ্রা বা নিদ্রাহীনতা কোনোটাই স্বাস্থ্যের জন্য সুবিধাজনক নয়। চলুন দেখা যাক, এ ক্ষেত্রে আপনি কতটা কুম্ভকর্ণ কিংবা রাতজাগা পাখি।
১. বাসে দূরে কোথাও যাবেন। বাসে ওঠার কিছুক্ষণ পরেই আপনি...
ক. ঘুমিয়ে পড়বেন।
খ. বাইরের দৃশ্য দেখতে দেখতে যাবেন।
গ. পেপার বা ম্যাগাজিন পড়ে সময় কাটাবেন।
২. কাজের ফাঁকে ফাঁকে একটু সুযোগ পেলে আপনি...
ক. একটু ঘুমিয়ে নেন।
খ. ঘুম তাড়াতে চান বা অন্য কিছু পান করেন।
গ. অন্যদের সাথে গল্প জমানোর চেষ্টা করেন।
৩. ছুটির দিনগুলোতে বেশির ভাগ সময় আপনি...
ক. ঘুমিয়ে কাটিয়ে দেন।
খ. বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ান।
গ. প্রয়োজনীয় কাজগুলো সেরে ফেলেন।
৪. বন্ধুরা সবাই মিলে সারারাত আনন্দ করবে বলে ঠিক করেছে, তখন আপনি...
ক. এক কথায় রাজি হয়ে যাবেন।
খ. রাতের ঘুম নষ্ট হবে বলে মানা করে দেবেন।
গ. বন্ধুদের সাথে থাকবেন ঠিকই, কিন্তু কিছুক্ষণ পর সুযোগ বুঝে ঘুমিয়ে পড়বেন।
৫. গভীর রাতে পরিচিত কেউ ফোন করলে আপনি...
ক. ঘুমের ব্যাঘাত ঘটবে বলে ফোন ধরতে চান না।
খ. ঘুম ভাঙানোর জন্য তাকে বকাঝকা করেন।
গ. স্বাভাবিকভাবে কথা বলেন।
৬. বেশির ভাগ কাজগুলো আপনি করার চেষ্টা করেন...
ক. রাতের বেলা।
খ. অবশ্যই দিনে, রাতে ঘুম নষ্ট করা যাবে না।
গ. যখন সুযোগ হয় তখনই করেন।
ফলাফল
৫-১০ :আপনাকে নিশাচর বলা যেতে পারে, কারণ রাত জাগতে আপনি পছন্দ করেন।
১০-১৫ :আপনি বেশি ঘুমকাতুরে নন, আবার অনেক রাত পর্যন্ত জেগে থাকার অভ্যাসও আপনার নেই।
১৫-২০ :আপনি ভাই বেশি ঘুমকাতুরে, ঘুমানোর জন্য আপনার নির্দিষ্ট ক্ষণের প্রয়োজন পড়ে না।
আপনার স্কোর
ক খ গ
১. ১০ ৭ ৩
২. ১০ ৩ ৭
৩. ১০ ৩ ৭
৪. ৩ ১০ ৭
৫. ১০ ৭ ৩
৬. ৩ ১০ ৭
