সাত হাজার মানুষের ভরসা একটি বাঁশের সাঁকো

আপডেট : ২১ ডিসেম্বর ২০১২, ২০:৪৯
নাগেশ্বরীতে একটি সেতুর অভাবে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে প্রায় সাত হাজার মানুষ। অনিরাপদ বাঁঁশের সাঁকো তাদের একমাত্র ভরসা। জানা গেছে, কচাকাটা থানার কেদার ইউনিয়নের চর বিষ্ণুপুর, ছামছুলের চর, সালামের চর, সুবলপাড়ের কিছু অংশ, বলদিয়ার চর সতিপুরি, সতিপুরি ও বামনডাঙ্গার ধারিয়ারকুটি, বাচ্চুর গ্রাম, চরলুছনিসহ ১২ গ্রামের প্রায় সাত হাজার মানুষ প্রতিদিন অনিরাপদ এ বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে দুধকুমার নদের মরা নালা পাড় হয়ে কেদার ইউনিয়নের সুবলপাড় বাজারে আসে। চরে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও নদীতে সেতু না থাকায় প্রায় ৭ শত স্কুল পড়ুয়া ছেলে-মেয়ে অতিকষ্টে নদী পাড় হয়ে সুবলপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সুবলপাড় উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করে। বর্ষা মৌসুমে তারা স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়।অন্যদিকে জরুরী চিকিত্সা সেবা পাওয়াও তাদের জন্য দুষ্কর। ইউনিয়ন স্বাস্থ্যসেবা পেতে তাদের নদী পাড় হয়ে পায়ে হেঁটে প্রায় ১২ কিঃমিঃ পথ অতিক্রমে করে মাদারগঞ্জ কমিউনিটি ক্লিনিকে যেতে হয়। ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকর্মীরা তেমন একটা যান না। সম্প্রতি গ্রামের মানুষ নিজেদের উদ্যোগে চলাচলের জন্য দু’টি বাঁশের নাম মাত্র সাঁকো নির্মাণ করেন। সেটি ধরে যাতায়াত করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত অনেক মানুষ দুর্ঘটনার শিকার হয়।