বৃহস্পতিবার দুপুরে গাজীপুর শহরের উত্তর ছায়াবিথীর শ্মশানঘাট এলাকার ভাড়া বাড়িতে শিশুপুত্রসহ এক গৃহবধূ আগুনে পুড়ে মারা গেছেন। ঐ গৃহবধূ স্বামীর সাথে ঝগড়া করে শিশুপুত্রসহ গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রতিবেশি ও দমকল বাহিনী ধারণা করছে। নিহতরা হলেন:সাথী বেগম (৩৫) এবং তার ছেলে রাব্বী (২)। সাথীর স্বামী সাইফুল ইসলাম সিএনজি চালক। সাইফুলের গ্রামের বাড়ি কাপাসিয়ার আমরাইদে।
প্রতিবেশীরা জানান, সকালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সাংসারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়। সাইফুল বাসা থেকে বের হয়ে গেলে বেলা পৌনে ১টার দিকে সাথী ঘরে ঢুকে দরজা-জানালা বন্ধ করে দেন। তার কিছু পরেই ওই ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই তা আশপাশের ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। তখন দমকল বাহিনীকে খবর দেয়া হয়। আধাঘণ্টা পর লোকজন দরজা ভেঙ্গে সেই ঘরে ঢুকে মা ও ছেলের লাশ দেখতে পায়। প্রতিবেশী লিয়াকত আলী জানান, প্রায় তিন বছর আগে সাইফুল ও সাথীর বিয়ে হয়। এটি ছিল উভয়ের দ্বিতীয় বিয়ে। জয়দেবপুর থানার পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য গাজীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
গার্মেন্টসে নারী শ্রমিকের ঝুলন্ত লাশ
গাজীপুর জেলা সদরের চান্দনা-চৌরাস্তা এলাকায় শাপলা ম্যানশনে অবস্থিত প্যান্ডোরা সোয়েটার কারখানার ভেতর থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার এক নারী শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করেছে জয়দেবপুর থানা পুলিশ। তার নাম আঞ্জুয়ারা বেগম (৩৫)। বাড়ি গাইবান্ধার ফরাজীপাড়ায়। পুলিশ জানায়, আঞ্জুয়ারা বুধবার কারখানায় কাজে যোগ দেয়। রাত ৯টার দিকে কারখানা তালাবন্ধ করে লোকজন চলে যায়। বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে নিরাপত্তাকর্মীরা কারখানার তৃতীয় তলায় সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় তার লাশ দেখতে পায়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে গাজীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় কারখানার প্রশাসনিক কর্মকর্তা ওসমান গনি বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন। আঞ্জুয়ারা তিন মাস আগে ওই কারখানায় চাকরি নেয়। তার স্বামীর নাম মোকসেদুল ইসলাম। দীঘিরচালা এলাকার খোরশেদ আলমের বাসায় ভাড়া থাকতেন তারা।
