তরুণ আর্ট ডিরেক্টর
ম্যাসাচুসেটস ইউনিভার্সিটির আর্ট সেকশনে ছিলেন জেনিন ক্লাউডিয়া । সেখান থেকে প্রিন্টিং মিডিয়াতে কাজ শুরু করেন। নিউ ইয়র্ক টাইমসে কাজ করতেন তিনি। সেই সাথে চালিয়ে যেতেন তার পড়াশোনা। সেখানে তার সাথে পরিচয় হয়, পল স্কারচারের সাথে, তার মাধ্যমে তিনি স্ক্রিন রাইটারের কাজ পেয়েছিলেন। তবে তিনি এই কাজের সাথে লেগে থাকার পরেও পড়াশোনা চালিয়ে গিয়েছেন। আর্ট-এর হিস্টোরি নিয়ে পড়াশোনা করতেন তিনি। সেখান থেকে চার্লি নামের এক ব্যাক্তি তাকে মিডিয়াতে কাজ করার প্রস্তাব দেন। তিনি ভবিষ্যতে ডিজাইনার হিসেবে হতে চান। নিজেকে সেভাবেই দেখা গড়ে তোলেন। ছেড়ে দেন প্রিন্টিং মিডিয়া। যোগ দেন গ্ল্যামার জগতে। মাত্র ২২ বছর বয়সে, চার্লিস এমিসেস স্টুডিওর আন্ডারে কাজ করতেন। সেখানে তিনি ১০০টির মতো ছোট ছোট কাজ করেছেন, বেশিরভাগই ছিল এডুকেশনাল ডকুমেন্ট্রি। তবে ফিল্ম বিজনেসে প্রবেশ করেন তিনি আকস্মিকভাবে। তিনি বেশ কয়েকবার অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হন। ‘এলএ কনফিডেনশিয়াল’, ‘সিবিস্কিট’ ও ‘দ্য গুড শেপার্ড’ সিনেমার জন্য তিনি এই পুরস্কার মনোনায়ন পেয়েছিলেন।
----
ডিজাইনার রাইয়ান
ইন্টারনেটের জগতে একই সাথে খুব মজার এবং হট বিষয় হলো গুগোলের লোগো। বিশেষ বিশেষ সময়ে এই লোগোর পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়। লোগোটির উপর মাউস রাখলেই সেটি সম্পর্কে জানা যায়। ভিন্নধর্মী অ্যানিমেটেড লোগোটি তৈরি করেছেন আর্ট ও গ্রাফিক্স ডিজাইনার রাইয়ান নামের এক তরুণ। রাইয়ান ১৯৯৫ সালে অ্যানিমেশন ও ডিজাইনিং দিয়েই তার কাজ ক্যারিয়ারের শুরু করেন। বেশকিছু বিখ্যাত কোম্পানির হয়ে অ্যানিমেশনের কাজ করেছেন তিনি। সেসব কোম্পানির মধ্যে রয়েছে, সনি পিকচারস, কার্টুন নেটওয়ার্ক, ওয়ার্ল্ট ডিজনি স্টুডিও, মার্ভেল ও ড্রিমওয়ার্কস পিকচার। বেশ কিছু সিনেমার কাজও করেন। ‘স্পেস জ্যাম’, ‘দ্য আইরন জায়েন্ট’, ‘ওসমোসিস জোনস’, ‘স্পাইডারম্যান-২’, ‘স্পাইডারম্যান-৩’, ‘আয়রনম্যান-২’ প্রভৃতি। সম্প্রতি তিনি ‘দ্য লোচ’, ‘দ্য টারটল অ্যান্ড দ্য সার্ক’ ও ‘এলিয়ান্স’ নামের তিনটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি পরিচালনা করেছিলেন। এই তিনটি সিনেমা ফোরটি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রদর্শন করা হয়। ব্রিগহাম ইয়ং ইউনিভার্সিটি থেকে তিনি বিএফএ কমপ্লিট করেন এবং এমএফএ করেন, সান ফ্রান্সিসকোর আর্ট একাডেমী থেকে।
