মিসরে সংকট থাকবে!

আপডেট : ২৩ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:১৩
মিসরের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, গণভোটে ভোটদাতাদের ৬৩ শতাংশেরও বেশি প্রস্তাবিত সংবিধানের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। ক্ষমতাসীন মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রস্তাবিত এই সংবিধান মিসরের সমাজে বড় ধরনের বিভক্তি তৈরি করেছে। বিরোধীদের বক্তব্য প্রেসিডেন্ট মুরসি এই সংবিধানের মাধ্যমে মিসরকে একটি ইসলামি রাষ্ট্রে পরিণত করতে চাইছেন। তাদের কথা, খসড়া সংবিধানে মহিলা এবং সংখ্যালঘুদের সমান অধিকার থেকে বঞ্চিত করে মুসলিম ব্রাদারহুড মিসরের গণতান্ত্রিক বিপ্লবের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। গণভোট বাতিলের দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরে মিসরে সহিংস বিক্ষোভ চলছে। এই বিতর্কের মাঝে, মাত্র ৩০ শতাংশের মত ভোটার ভোট দিয়েছেন। সংবাদদাতারা বলছেন, ক্ষমতাসীন মুসলিম ব্রাদারহুডের জন্য এটি একটি বিজয় হলেও, এর পরেও মিসরে রাজনৈতিক সঙ্কট অব্যাহত থাকবে। এমনকি ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ঘন্টাখানেক আগে মিসরের ভাইস প্রেসিডেন্ট মেহমুদ মেক্কি পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলছেন, দেশের বর্তমান রাজনীতির সাথে তিনি খাপ খাইয়ে নিতে পারছেন না। সোমবার এই গণভোটের সরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হতে পারে। সংবিধান অনুমোদিত হলে আগামী বছর সংসদ নির্বাচন হবে। বিরোধী ন্যাশনাল স্যালভেশন ফ্রন্ট গণভোট অনিয়মের অভিযোগ তুললেও পরোক্ষভাবে ফলাফল মেনে নিয়েছে। তবে ফ্রন্টের মুখপাত্র খালেদ দাউদ ভোটার উপস্থিতির ব্যাপারে বলেছেন, প্রমাণিত হয়েছে মিসরের অন্তত অর্ধেক মানুষ এই সংবিধান চায় না। সরকার পক্ষ বলছে, এই সংবিধান মিসরের গণতন্ত্রকে সংহত করবে। -সূত্র বিবিসি