আফগানিস্তানে শান্তি বজায় রাখার বিষয়টিকে প্রাধান্য দিচ্ছেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আশফাক কায়ানি। তিনি আফগানিস্তানের সকল বিরোধী গ্রুপকে বিরোধ মিটিয়ে ফেলারও আহবান জানান। সামরিক এবং পশ্চিমা কূটনীতিকরা মনে করছেন, সেনাপ্রধান হয়তো তালেবানের সঙ্গে শান্তি আলোচনার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। খবর রয়টার্সের।
দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে অবস্থানরত পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেন, একটা সময় ছিল যখন আমরা মনে করতাম আমরাই আফগানিস্তানের কর্তা। এখন আমরা চাই তারা তাদের সমস্যার সমাধান করুক। আমরা এখন আমাদের নিজেদের সমস্যাগুলোর দিকে মনোযোগ দিতে চাই। তিনি বলেন, আফগানিস্তানে একটা বড় ধরনের সমঝোতা গড়ে তোলার ক্ষমতা পাকিস্তানের আছে। আমরা সেদিকেই গুরুত্ব দিচ্ছি। আমাদের এই চ্যালেঞ্জ নিতে হবে। এবং আমরা সেটাই নিচ্ছি। গত ৭ ডিসেম্বর রাওয়ালপিন্ডিতে উচ্চপদস্থ সেনা কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠকে আফগানিস্তানে যুদ্ধ অবসানে ভূমিকা রাখার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি ঐ সভায় বলেন, আফগানিস্তানে একটি সমঝোতা গড়ে ওঠাকে আমরা প্রাধান্য দিচ্ছি, জানিয়েছে সেনাবাহিনীর এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এই ভূমিকা বারাক ওবামার পদক্ষেপকে সহায়তাই করবে।
আফগানিস্তানের অনেক কর্মকর্তাই মনে করেন, পাকিস্তান তালেবানকে নানাভাবে সহায়তা দিয়ে থাকে। এখন কায়ানি বাস্তবে এটা করবেন না পশ্চিমা দেশগুলোর সমালোচনা এড়ানোর জন্য এধরনের কাজ করছেন কিনা সেটাই দেখার বিষয়।
