প্রয়োজনীয় ড্রেনেজ ও লাইটিং ব্যবস্থার অভাব, নিজস্ব চিকিত্সা ব্যবস্থা ও পার্ক বা বিনোদনের ব্যবস্থা না থাকায় যথাযথ নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা সদর বনপাড়া পৌরসভার বাসিন্দারা। নির্ধারিত হারে কর পরিশোধ করলেও প্রয়োজনীয় সেবা না পাওয়ায় পৌর এলাকার বাসিন্দাদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
২০০২ সালে জোয়াড়ী ও মাঝগাঁও ইউনিয়নের ৭টি গ্রাম নিয়ে ৬.৯২ কিলোমিটার আয়তন নিয়ে বনপাড়া পৌরসভা গঠিত হয়। ২০১০ সালে পৌরসভাটি ২য় শ্রেণিতে উন্নীত হয়। দীর্ঘ ১০ বছরেও ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে উঠেনি। ফলে বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে সাধারণ লোকজনকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। পৌর এলাকার ৭৬ কিলোমিটার রাস্তার মাত্র এক-দশমাংশ পাকাকরণ সম্ভব হয়েছে। পৌরসভার নিজস্ব চিকিত্সা ব্যবস্থা না থাকায় পৌর এলাকায় গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি বহুতল ক্লিনিক। এতে সাধারণ মানুষের চিকিত্সা ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। দরিদ্ররা চিকিত্সাসেবা থেকে বঞ্চিত।
এ ব্যাপারে হারোয়া মহল্লার তোফাজ্জল হোসেন জানান, পৌরকর পরিশোধ করছি। কিন্তু সে অনুযায়ী নাগরিক সেবা পাচ্ছি না। রাস্তা পাকা না হওয়ায় শিক্ষার্থী, চাকরিজীবীসহ সকলে দুর্ভোগ পোহাচ্ছি।
বনপাড়া পৌর মেয়র প্রভাষক কেএম জাকির হোসেন বলেন, কাউন্সিলরদের সাথে পরামর্শ করে সকল এলাকায় সুষম উন্নয়নের চেষ্টা করছি।
