পশ্চিম তীরে ইসরাইলের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়

আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০১২, ২০:৪৭
পশ্চিম তীরের ইহুদি বসতির একটি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করেছে ইসরাইল। এটা ফিলিস্তিনের সাথে যে কোনো ধরনের শান্তি আলোচনার এবং পশ্চিম তীরে নতুন বসতি নির্মাণের ব্যাপারে ইসরাইলের কঠোর মনোভাবেরই প্রতিফলন বলে ধারণা করা হচ্ছে। অধিকৃত পশ্চিম তীরের নাবলুস শহরে ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত এরিয়েল কলেজটিকে ইসরাইলের অভ্যন্তরে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সমান মর্যাদা দেয়া হয়েছে। সোমবার ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ এই ঘোষণা দেয়। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক বিবৃতিতে বলেছেন, এক দশকের মধ্যে প্রথম ইসরাইলের নতুন একটি বিশ্ববিদ্যালয় হলো। ইসরাইলের এই সিদ্ধান্ত দেশটিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমালোচনার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে পারে আর ফিলিস্তিনিদের করবে আরো বেশি দুর্দশাগ্রস্ত। ফিলিস্তিনিরা পশ্চিম তীরকে তাদের ভবিষ্যত্ রাষ্ট্রের অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রায় সবাই সম্মত এবং পশ্চিম তীরে ইসরাইলের বসতি স্থাপনকে তারা অবৈধ এবং শান্তির জন্য হুমকি হিসেবে মনে করে। জানা গেছে, গত সেপ্টেম্বরে পশ্চিত তীরের ঐ কলেজটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছিল ইসরাইলের অভ্যন্তরে অবস্থিত সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রক সংস্থা কাউন্সিল ফর হায়ার এডুকেশন। তারা একে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বলে হাইকোর্টে একটি পিটিশনও দায়ের করে। কিন্তু চূড়ান্ত অনুমোদনটি এসেছে ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর প্রধানের কাছ থেকে। এদিকে, ফিলিস্তিনি উচ্চশিক্ষা দপ্তর এই সিদ্ধান্তের নিন্দা এবং সারাবিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে তা বয়কট করার আহবান জানিয়েছে।