সোনালী ব্যাংকের নথিপত্র জব্দ করতে নেমেছে দুদক

আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:০৪
হলমার্ক গ্রুপের সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা শাখা থেকে অবৈধভাবে নেয়া ঋণের নথিপত্র জব্দ করতে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় দুদকের তদন্ত কমিটির প্রধান ও সিনিয়র উপ-পরিচালক মীর জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে তদন্ত দল গতকাল মঙ্গলবার সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা শাখায় হলমার্কের নথিপত্র জব্দ অভিযানে যান। জব্দের অভিযানে নামা দুদক টিমের সদস্যরা গতকাল বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে ২০ টি ফাইল জব্দ করেন। এ ব্যাপারে হলমার্ক কেলে-ঙ্কারির ঘটনায় দুদকের তদন্ত কমিটির প্রধান মীর জয়নুল আবেদীন শিবলী বলেন, রূপসী বাংলা শাখা থেকেই হলমার্ক ব্যাংকিং সেক্টরের বড় কেলেঙ্কারি ঘটায়। হলমার্ক সংক্রান্ত যত নথি আছে আমরা সেগুলো জব্দ করতে নেমেছি। এরইমধ্যে (সাড়ে ১১টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত) কয়েকটি নথি জব্দ করেছি। আরও করবো। সরকারি ছুটির দিনে জব্দের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, অন্যদিন ব্যাংকের গ্রাহক থাকে। ওই সময় জব্দ করতে এলে তখন গ্রাহকদের অসুবিধা হয়। ব্যাংকের কর্মকর্তাদেরও কাজ করতে অসুবিধা হয়, এসব কারণেই মূলত সরকারি ছুটির দিনে জব্দের অভিযানে নামা। সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা হোটেল শাখা থেকে হলমার্ক মোট ২ হাজার ৬৮৬ কোটি ১৪ লাখ টাকা আত্মসাত্ করে। এর মধ্যে স্বীকৃত বিলের বিপরীতে পরিশোধিত (ফান্ডেড) অর্থ হচ্ছে ১ হাজার ৫৬৮ কোটি ৪৯ লাখ ৩৪ হাজার ৮৭৭ টাকা। দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে ওই পরিশোধিত অর্থ লোপাটে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় গত ৪ অক্টোবর হলমার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তানভীর মাহমুদ, চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলাম, মহাব্যবস্থাপক (জিএম) তুষার আহমেদ ও সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক ও ডিজিএম (সাময়িক বরখাস্ত) একেএম আজিজুর রহমানকে আসামি করে ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক। ২৭ জনের মধ্যে হলমার্কের সাতজন ও সোনালী ব্যাংকের ২০ জনকে আসামি করা হয়।