পদ্মা সেতু প্রকল্পের পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতির ষড়যন্ত্র মামলায় প্রধান দুই আসামি সেতু বিভাগের সাবেক সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া ও সেতু কর্তৃপক্ষের নদী শাসন বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজী মোঃ ফেরদৌসকে ৭ দিন দুদক হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছে আদালত। ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম শহীদুল হক ফারুক গতকাল বৃহস্পতিবার এই রিমান্ডের আদেশ দেন। এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিদের আদালতে হাজির করে ১০দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের দুদকের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি। এ প্রকল্পে আর কারা কারা দুর্নীতির সাথে জড়িত আছে তাদের ব্যাপারে খোঁজ খবর নিতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
আদালতে দুদকের আইনজীবী কবির হোসেন বলেন, আসামিরা পদ্মা সেতু প্রকল্পের তদারকি পরামর্শক কাজের দরদাতা এসএনসি-লাভালিন ইন্টারন্যাশনালকে কাজ পাইয়ে দেয়ার ব্যাপারে বিপুল অঙ্কের ঘুষের জন্য প্রণোদনার ষড়যন্ত্র করেছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি।
গত বুধবার হাইকোর্ট থেকে বের হওয়ার পর গণপূর্ত ভবনের সামনে থেকে উভয়কে গ্রেফতার করা হয়। উইং কমান্ডার মো. তাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে দুদকের একটি দল তাদের আটক করে। এর আগে বুধবার সকালে ওই মামলায় জামিন নিতে তারা হাইকোর্টে যান। এ সময় হাইকোর্টের অবকাশকালীন বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চ তাদের জামিন আবেদনের শুনানি নাকচ করে আবেদনটি নিয়মিত বেঞ্চে উত্থাপন করতে বলেন। এরপর হাইকোর্ট থেকে ফেরার পথে আটক হন তারা।
